সিরিয়ায় ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) দুই সামরিক উপদেষ্টাকে শ্রদ্ধা জানাতে লাখো শোকার্ত মানুষ মঙ্গলবার তেহরানের রাস্তায় নেমে আসে। পুরুষদের পাশপাশি অসংখ্য নারী ও শিশুও সেখানে উপস্থিত ছিল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম পার্স্টুডে জানায়, নিহত মিলাদ হায়দারি ও মেকদাদ মেহকানির কফিনবাহী মিছিল তেহরানের ঐতিহাসিক ইমাম হোসাইন স্কোয়ার থেকে শুরু হয়ে শোহাদা স্কোয়ারের দিকে যাত্রা করে।
ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো হয় তাদের কফিন। এসময় কফিনবাহী মিছিল থেকে ইসরাইল বিরোধী স্লোগানের পাশপাশি প্রতিশোধের দাবি উঠে।
আইআরজিসি'র প্রধান মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি, কুদস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কায়ানিসহ উচ্চ পদস্থ বহু কর্মকর্তা ওই দাফন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শুক্রবার ভোররাতে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কাছে ইসরাইলি বিমান হামলায় ইরানের ওই দুই সামরিক উপদেষ্টা নিহত হন। তারা ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সামরিক উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন।
রোববার (২ এপ্রিল) আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দুই সামরিক উপদেষ্টা হত্যার জন্য তেল আবিবকে চড়ামূল্য দিতে হবে। ভুয়া এবং অপরাধী ইহুদিবাদী সরকার এই ঘৃণ্য অপরাধের জন্য নিঃসন্দেহে প্রতিশোধের মুখে পড়বে।
তবে তেহরানের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

আরও পড়ুন: আগুনে পথে বসেছেন সাত মার্কেটের তিন হাজার ব্যবসায়ী
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানয়ানি শুক্রবার এক বিবৃতিতে ইসরাইলের হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে তারা সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব নিয়মিতভাবে লংঘন করার সাহস পাচ্ছে।
চলতি সপ্তাহে সিরিয়ার রাজধানীর দামেস্কসহ বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরাইল। এসব হামলায় বেশ কয়েকজন আহত ও নিহত হয়েছে।
একাত্তর/আরবিএস
