পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় বিজ্ঞানীদের ঘুম হারাম

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২৩, ০৭:৪১ পিএম

বিশ্বে নজিরবিহীন তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়াটা ঘুম হারাম করে দিয়েছে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের। একের পর রেকর্ড ভাঙছে তাপমাত্রা। বাড়ছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা। সেই সঙ্গে রেকর্ড গতিতে ভাঙছে মেরু অঞ্চলের বরফ। আর এটাই বিশ্বের নিউ নরমাল হতে যাচ্ছে বলেও শঙ্কা তাদের। 

তিনটি মহাদেশজুড়ে যে তাপপ্রবাহ চলছে তা আরও রেকর্ড ভাঙার দিকে আগাচ্ছে। এসব জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই ঘটছে কিনা, তা এখনই বলা কঠিন, কারণ আবহাওয়া ও মহাসাগরের আচরণ খুবই জটিল। এগুলো জাতিসংঘের কথা।

কিন্তু ভাবনায় পড়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের শঙ্কা, ভয়ঙ্কর সব পরিস্থিতি ঘটতে চলেছে। লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্স জানিয়েছে, এর আগে আবহাওয়ার প্রতিটি ক্ষেত্রে সবখানে এমন রেকর্ড ভাঙা এবং অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটার নজির নেই।

এদিকে, লন্ডনের ইম্পিরিয়াল কলেজ বলছে, পৃথিবী এখন লাগামহীন পরিবর্তনের মধ্যে ঢুকে পড়েছে, যার পেছনে রয়েছে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ফলে ঘটা বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এবং এল নিনোর প্রভাবে পৃথিবীর গরম হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। 

তেল, কয়লা ও গ্যাসের মতো জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার থেকে যে কার্বন নিগর্মণ হচ্ছে পৃথিবীর ক্রমশ গরম হয়ে ওঠার পেছনে সেটাই বড় কারণ বলছেন বিজ্ঞানীরা। এরইমধ্যে বিশ্ব জুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানি বন্ধের জন্য বিক্ষোভ শুরু করেছেন পরিবেশকর্মীরা।

ইম্পিরিয়াল কলেজের দাবি, গ্রিনহাউস গ্যাস থেকে পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়া ঠেকানো না গেলে এমনটাই ঘটবে বলে পূর্বাভাস করা হয়েছিলো। আর এর জন্য মানুষই দায়ি।

এরমধ্যে বিজ্ঞানীদের উদ্বেগের আরেক বড় কারণ হলো, উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে যাওয়া। ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয় বলছে, আটলান্টিকের এই অংশে এ ধরনের সামুদ্রিক উষ্ণপ্রবাহ আগে কখনও দেখা যায়নি।

আরও পড়ুন: চার দেশের ৩৯ ব্যক্তির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলের তাপমাত্রা জুন মাসে স্বাভাবিকের চার থেকে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস উপরে ছিল। যা ন্যাশানাল ওশানিক অ্যান্ড অ্যাটমসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সংজ্ঞায় ক্যাটেগরি পাঁচ তাপপ্রবাহ অর্থাৎ চরম অবস্থারও বেশি।

তবে এর মানে এই নয় যে, জলবায়ু ধ্বংস হয়ে গেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন পরিস্থিতিতে পৃথিবীকে মানুষের বেঁচে থাকার উপযোগী করে তোলার সময় এখনও ফুরিয়ে যায়নি।


একাত্তর/এসি

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে সামনের দিনগুলোতে তাপপ্রবাহ, খরা ও দাবানলের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে দাবানল, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বিশ্বের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ উষ্ণতম মাস ছিলো চলতি বছরের সেপ্টেম্বর। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে কোপার্নিকাস জলবায়ু পরিবর্তন পরিষেবা। বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা চলতি মাসেও রেকর্ডের...
ভবিষ্যৎ বক্তা হিসাবে বাবা ভাঙ্গার খ্যাতি এখন জগতজুড়ে। নস্ট্রাডামাসের পর বাবা ভাঙ্গাই এখন বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় জ্যোতিষী, যিনি দেখতে পান মানব সভ্যতার জন্য হুমকি হয়ে আসতে পারে এমন সব বিপদের কথা।...
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব নিরসনে ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণের তাগিদ দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ছয় মাসে দেশব্যাপী আড়াই কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও...
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়টি পুরোপুরি তার নিজের সিদ্ধান্তের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তবে এ বিষয়ে ভারত ইতিবাচক ও...
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত উত্তোলনের সুযোগ চালু হওয়ার প্রথম দিনেই তা তোলার জন্য আবেদন করেছেন প্রায় ১৮ হাজার আমানতকারী। এসব আবেদনের বিপরীতে আমানতকারীরা সব মিলিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কোটি টাকা...
গঠনমূলক সমালোচনা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে স্বাগত জানিয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিএনপি সবসময় মধ্যমপন্থী রাজনীতির পথ ধরে এগিয়ে চলে। সমালোচনার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন,...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর