ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ সপ্তাহে দিল্লি পুলিশের ৪৫০ জন কর্মীর সাথে রাতে খাবার খাবেন। জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন করায় তাদের স্বীকৃতি দিতে এ আয়োজন করা হচ্ছে।
দিল্লি পুলিশের সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, যারা জি-২০ সামিটে ভালো কাজ করেছিলেন এমন পুলিশ কর্মীদের একটি তালিকা চেয়েছেন দিল্লি পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় অরোরা। প্রতিটি জেলার কনস্টেবল থেকে পরিদর্শক পর্য ন্ত যারাই ভালো কাজ করেছেন তাদের নাম থাকবে ওই তালিকায়।
তালিকায় ৪৫০ জন পুলিশ কর্মী থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। যারা ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রীর সাথে নৈশভোজ করবেন। ভারত মণ্ডপমে জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
কোনো বড় অর্জনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়ার এ ধরনের আয়োজন মোদির এবারই প্রথম নয়। মে মাসে নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধনের আগে, তিনি এর নির্মাণে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের সংবর্ধনা দিয়েছিলেন।
এ সপ্তাহের শুরুতে, জি-২০ সম্মেলনে অবদানের জন্য পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় আরোরাকে বিশেষ প্রশংসা ক্রেস্ট এবং দিল্লির বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মীকে প্রশংসাপত্রও দিয়েছিলেন মোদি।
পুলিশের সঙ্গে নৈশভোজের ঘোষণা দেয়া হয় গত ১১ সেপ্টেম্বর। সেখানে বলা হয় পেশাদারত্ব এবং সফলভাবে জি-২০ আয়োজন হয়েছে। যাতে দিল্লি পুলিশের সব শ্রেণির কর্মীর অংশগ্রহণ ও অবদান ছিলো। কেবলমাত্র তাদের দ্বারাই এ আয়োজন সম্ভব হয়েছে। প্রতিটি অংশগ্রহণকারীর এ আয়োজনে অবদান রয়েছে।
শীর্ষ সম্মেলনের আগে এবং চলাকালীন উভয় ক্ষেত্রেই দিল্লি পুলিশের জন্য এটি কঠিন কাজ ছিলো। যা দেশের এবং বিশ্ব নেতাদের বৃহত্তম সমাবেশ দেখেছিলো।
সর্বোচ্চ স্তরের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা নিশ্চিত করার জন্য, বিশেষ সুরক্ষা গোষ্ঠী এবং দিল্লি পুলিশের কর্মীরা যে হোটেলগুলিতে নেতা এবং তাদের প্রতিনিধিরা অবস্থান করছিলেন সেগুলির জন্য কোড শব্দও ব্যবহার করেছিলেন।
দ্য আইটিসি মৌর্য শেরাটন, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অবস্থান করছিলেন, তার কোড নাম ছিলো ‘প্যান্ডোরা’ এবং ‘সামারা’ ছিলো শাংরিলার নাম যেখানে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এবং তার স্ত্রী অক্ষতা মূর্তি শীর্ষ সম্মেলনের সময় অবস্থান করেন।
বিশ্বনেতারা যে জায়গাগুলো পরিদর্শন করেছেন তার জন্যও কোড শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। রাজঘাটকে বলা হতো ‘রুদপুর’ এবং প্রগতি ময়দান, যেখানে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতো, সেটি ছিলো ‘নিকেতন’।
