ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি ওয়ার্কশপে ড্রোন হামলার দায়ে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে কাজ করা এক গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তবে ওই গুপ্তচরের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো কিছু জানানো হয়নি।
সোমবার ইরানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল ও পার্সটুডে আলাদা প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রোববার ওই মোসাদ গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ২০২৩ সালে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ইস্ফাহানস্থ একটি ওয়ার্কশপে কয়েকটি ছোট্ট ড্রোনের সাহায্যে হামলা চালানো হয়। তবে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সহযোগিতায় ঐ হামলা ব্যর্থ করে দেয় ইরান। সে সময় একটি ড্রোনে আঘাত হানা হয় এবং অন্য দু'টি ড্রোনকে কৌশলে ধ্বংস করা হয়।
ইস্ফাহানের বিচার বিভাগের প্রধান হুজ্জাতুল ইসলাম জাফারি এ সম্পর্কে বলেছেন, এই ব্যর্থ হামলার পর মোসাদের ঐ সন্ত্রাসী নিজের পরিচয় গোপন করে ইরান থেকে পালিয়ে যায়। এর ১৩ দিন পর ইরানের বিচার বিভাগের সহযোগিতা ও নিরাপত্তা বাহিনীর প্রচেষ্টায় ঐ সন্ত্রাসীকে একটি প্রতিবেশি দেশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তবে ওই গুপ্তচর কোন দেশে পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং তাকে কীভাবে ধরে নিয়ে আসা হয়েছিল সে বিষয়ে কিছু জানায়নি তেহরান।
গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে ওই গুপ্তচরের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় দেশটির আদালত।
ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের শত্রুতা বেশ পুরোনো। চলতি বছর গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে একাধিক মোসাদ গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান।
এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তেহরান জানিয়েছিলো, এশিয়া, আফ্রিকা এবং ইউরোপসহ বিশ্বের ২৮টি দেশে ইসরাইলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের কয়েক হাজার এজেন্টকে শনাক্ত করেছে ইরান। তবে এসব মোসাদ এজেন্টদের বিরুদ্ধে ইরানের পদক্ষেপ কী হবে সে বিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশটি।
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুক হামলা নিহত চার, আহত তিন
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শাহবাজ শরিফ