লাগাতার বৃষ্টিতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ের মিরিকে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে মৃত্যু হয়েছে অন্তত সাত জনের। ভেঙে গেছে লোহার সেতুও। বন্ধ হয়ে গেছে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিংগামী রাস্তা।
আটকা পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন।
অবশ্যই আগেই দেশটির আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, শনিবার রাতভর ভারী বৃষ্টি হবে। হয়েছেও তাই।
ভারী বৃষ্টিতে জলবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। তোর্সা নদীর জলস্তর ১১৮ মিটার উপর দিয়ে বইছে। জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা।
হাই ফ্লাডের সতর্কতা জারি করেছে সেচ দপ্তর। জলপাইগুড়িতেও রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে। একরাতে ১৭২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে শহরে। যা চলতি বছরে রেকর্ড বৃষ্টি।
বৃষ্টিতে জলপাইগুড়ির মহামায়া পাড়া, পাণ্ডাপাড়া, স্টেশন রোডসহ একাধিক ওয়ার্ডে পানি জমেছে।
কোচবিহার জেলাজুড়ে ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন অধিকাংশ এলাকা। সব মিলিয়ে জলে ভাসছে উত্তরবঙ্গ।
দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে ট্রেন চলাচলেও। একাধিক ট্রেন বাতিল করেছে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশন। বাংলা থেকে আসাম যাওয়ার একাধিক ট্রেন বাতিল হয়েছে। বেশ কিছু ট্রেনকে ঘুরপথে চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাতিল করা হয়েছে এনজেপি আলিপুরদুয়ার জংশন ট্যুরিস্ট স্পেশাল ট্রেন। ধুবরি শিলিগুড়ি ডেমু স্পেশাল এবং শিলিগুড়ি বক্সিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনও বাতিল হয়েছে।

দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে লাল সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এ অবস্থায় সোমবার (৬ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ভারতের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার ঝড়টি পূর্ব-উত্তরপূর্ব দিকে পুনরায় বাক নিয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আইএমডি তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে মহারাষ্ট্র উপকূল বরাবর আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৪৫-৫৫ কিলোমিটার এবং থেকে থেকে তা ৬৫ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠতে পারে।
আগামী ৬ অক্টোবরের পর ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে গেলেও এটার প্রভাবে সৃষ্ট বাতাস ও বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যে সব শর্তে ট্রাম্পের প্রস্তাব মেনে নিতে রাজি হামাস