সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে হায়দ্রাবাদগামী একটি ইন্ডিগো ফ্লাইট মুম্বাইয়ে জরুরিভাবে অবতরণ করেছে। কারণ বিমানটিকে ১৯৮৪ সালের চেন্নাই বিমানবন্দর বিস্ফোরণের কায়দায় উড়িয়ে দেয়া হবে- এমন হুমকি পাওয়া যায়। এর পরপরই বিমানটিকে দ্রুত মুম্বাই বিমানবন্দরে নামানো হয়।
শনিবার এক বিবৃতিতে ইন্ডিগো জানিয়েছে, মুম্বাই বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয় এবং যাত্রীদের অসুবিধা কমাতে সকল ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বিবৃতিতে ইন্ডিগো আরও জানিয়েছে, ১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জেদ্দা থেকে হায়দ্রাবাদগামী ইন্ডিগো ফ্লাইট 6E68 এ জন্য একটি নিরাপত্তা হুমকি পাওয়ার পর বিমানটি মুম্বাইতে অবতরণ করানো হয়।
তবে নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষে বিমান পুনরায় হায়দ্রাবাদে পৌঁছায় বিকেলে। ১৯৮৪ সালের ওই বিস্ফোরণ মীনাম্বাক্কাম বোমা বিস্ফোরণ নামেও পরিচিত।
১৯৮৪ সালে ২ আগস্ট চেন্নাই বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া ওই দুর্ঘটনায় ৩৩ জন নিহত হয়।
এয়ার ইন্ডিয়ার দুই পাইলট বরখাস্ত
বাধ্যতামূলক লাইসেন্স সংক্রান্ত শর্ত ভঙ্গ করে ফ্লাইট পরিচালনার অভিযোগে ভারতীয় বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার ২ পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রোববার পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও হিন্দুস্তান টাইমস।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, একজন কো-পাইলট নির্ধারিত সময়ের ইন্সট্রুমেন্ট রেটিং-পাইলট প্রফিসিয়েন্সি চেক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পরও সংশোধনী প্রশিক্ষণ না নিয়েই ফ্লাইট পরিচালনা করেন।
কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী, কোনো পাইলট এই পরীক্ষায় ফেল করলে তাকে পুনরায় প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতা প্রমাণ করতে হয়। কিন্তু ওই এয়ারবাস A -320 এয়ারবাস -এর ওই কো-পাইলট তা না করেই দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যদিকে, একজন সিনিয়র কমান্ডার মেয়াদোত্তীর্ণ ইংরেজি ভাষা দক্ষতা লাইসেন্স না নিয়েই ফ্লাইট চালিয়েছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী, বৈধ ইএলপি ছাড়া কোনো পাইলটের ফ্লাইট পরিচালনা করার অনুমতি নেই।
এ বিষয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার মুখপাত্র জানান, বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ওই পাইলট ও ক্রু শিডিউলারকে রোস্টার থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
