ফিলিপাইনে টাইফুন কালমেগিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৬ জনে দাঁড়িয়েছে। টাইফুনের ফলে সৃষ্ট স্মরণকালের ভয়াবহতম ওই বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সেবু প্রদেশের বাসিন্দারা ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে সরে যেতে শুরু করেছে। সেবু প্রদেশ থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়, নজিরবিহীন বন্যার পানি শহর ও নগরগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে, গাড়ি, ট্রাক এমনকি বিশাল শিপিং কন্টেইনারগুলো ভাসিয়ে নিয়ে গেছে।
সিভিল ডিফেন্সের উপ-প্রশাসক রাফায়েলিতো আলেজান্দ্রো স্থানীয় রেডিও আউটলেট ডিজেডএমএম-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সেবুতে ৪৯ জন মারা গেছেন। তিনি সামগ্রিক সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
আলেজান্দ্রো বলেন, প্রধান শহরগুলো, উচ্চ নগরায়িত এলাকাগুলো বন্যার কবলে পড়েছে। ২৬ জন নিখোঁজ রয়েছে। বন্যা কমে গেছে। এখন আমাদের চ্যালেঞ্জ হলো আমাদের রাস্তা আটকে দেওয়া ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করা।

বুধবার (৫ নভেম্বর) সকালে এএফপির সাংবাদিকরা বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা এ সময় আগের দিন যেসব রাস্তা বন্যায় নদীতে পরিণত হয়েছিলো সেগুলো পরিষ্কার করছিলেন।
৫৩ বছর বয়সী রেনাল্ডো ভার্গারা এএফপিকে বলেন, গতকাল এখানে বন্যা সত্যিই তীব্র ছিল।’ তিনি আরো বলেন, তার ছোট দোকানের সবকিছু ভেসে গেছে। নদী উপচে পড়ায় সেখান থেকে পানি ছড়িয়ে পড়ে। ভোর চারটা বা পাঁচটার দিকে, পানির স্রোত এতটাই তীব্র ছিল যে কেউ বাইরে পা রাখতেও পারছিল না। এরকম কিছু এর আগে কখনো ঘটেনি।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ চারমাগনে ভারিলা জানান, কালমেগি সৃষ্ট ভূমিধ্বসের ২৪ ঘণ্টা আগে, সেবু নগরীর আশেপাশের এলাকা ১৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিতে প্লাবিত হয়, যা মাসিক গড়ে ১৩১ মিলিমিটারেরও বেশি ছিলো।

মঙ্গলবার, প্রাদেশিক গভর্নর পামেলা বারিকুয়াত্রো পরিস্থিতিকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বন্যার পানি ছিলো কেবলই ধ্বংসাত্মক। আমরা আশঙ্কা করেছিলাম কেবল বাতাস বিপজ্জনক হবে, কিন্তু পানি আমাদের জনগণকে সত্যিই ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।
নিউইয়র্কের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মেয়র হলেন জোহরান মামদানি