এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী কায়া কালাস এবং কয়েকটি বাল্টিক দেশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে ওয়ান্টেড তালিকায় রেখেছে রাশিয়া। তালিনের পক্ষ থেকে দেশটির সীমান্তে রুশ সেনাবাহিনীর উপস্থিতির বিষয়ে সতর্কতা জানানোর পর মস্কো এই উদ্যোগ নিলো।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নারী মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী কায়া কালাস, স্টেট সেক্রেটারি তাইমার পিটারকপ, লিথুয়ানিয়ার সংস্কৃতিমন্ত্রী সিমোনাস কায়রিসের বিরুদ্ধে সোভিয়েত সেনাদের ভাস্কর্য ধ্বংসের অভিযোগ আনা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।
টেলিগ্রাম চ্যানেলে জাখারোভা বলেছেন, এটি শুরু মাত্র। নাৎসি ও ফ্যাসিবাদীদের কাছ থেকে বিশ্বকে মুক্তকারীদের স্মৃতির বিরুদ্ধে অপরাধকারীদের অবশ্যই বিচার হতে হবে।
অবশ্য তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ করেনি রুশ কর্তৃপক্ষ।
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর কিয়েভের বেশ কয়েকজন সিনিয়র বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাকে ওয়ান্টেড তালিকায় রেখেছে মস্কো। কিন্তু এই প্রথম ওয়ান্টেড তালিকায় কোনও দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে কালাসের নাম জানা গেলো।
ইউক্রেনের একজন কট্টর সমর্থক এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী। কিয়েভকে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার পক্ষে সোচ্চার তিনি।
ওয়ান্টেড তালিকায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করার ফলে বাল্টিক অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। এমন সময় রাশিয়া এই উদ্যোগ নিলো যখন পশ্চিমা দেশগুলো মস্কোর সামরিক হুমকি বাড়ছে বলে সতর্ক করে আসছে।
মঙ্গলবার এ বিষয়ে জানতে চাইলে ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, আমাদের দেশ ও ঐতিহাসিক স্মৃতির প্রতি শত্রুতাপূর্ণ কাজ করেছেন এস্তোনিয়ার এ নেতা।
সোভিয়েত আমলের ভাস্কর্য অপসারণ এস্তোনিয়ায় একটি নাজুক ইস্যু। ১৯৪৪ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল। দেশটির জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ জাতিগতভাবে রুশ।
আভদিভকায় রুশ হেলিকপ্টার ভূপাতিতের দাবি ইউক্রেনের