রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর ফ্রান্সে সর্বোচ্চ সন্ত্রাসী সতর্কতা জারি করেছে দেশটির সরকার।
রোববার প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী গ্যাব্রিয়েল আটাল একথা জানান।
শুক্রবার রাতে রাশিয়ার ক্রোকাস সিটি কনসার্ট হলে সন্ত্রাসী হামলায় কমপক্ষে ১৩৭ জন নিহত হয়েছেন। এটাকে ২০ বছরের মধ্যে রাশিয়ার অভ্যন্তরে সবচেয়ে বড় হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। ইসলামিক স্টেট খোরাসান (আইএসকে)।
ভয়াবহ ওই হামলার পর নড়েচড়ে বসেছে ফ্রান্স সরকার। অলিম্পিক আসর শুরুর আগেই পশ্চিম ইউরোপের এই দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কতা জারি করা হলো। কয়েক মাস পরেই প্যারিসে অনুষ্ঠিত হবে অলিম্পিক গেমস।
এক্স হ্যান্ডেলের এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী গ্যাব্রিয়েল জানান, ইসলামিক স্টেট মস্কোর হামলার দায় স্বীকার করা এবং আমাদের দেশেও একই ধরনের হুমকির বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ফ্রান্সের সন্ত্রাসী সতর্কতা ব্যবস্থার তিনটি স্তর রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো- সর্বোচ্চ স্তর হলো ফ্রান্সের অভ্যন্তরে অন্য দেশের মাটিতে যখন কোনো আক্রমণ হয়, সেই ঘটনাকে আসন্ন হুমকি ধরে নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়।
সর্বোচ্চ স্তরের সন্ত্রাসী সতর্কতা জারি করা হলে ট্রেন স্টেশন, বিমানবন্দর ও ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর মতো জনসমাগমের জায়গায় সশস্ত্র বাহিনীর টহল বাড়ানো হয়। পাশাপাশি গ্রহণ করা হয় ব্যতিক্রমী নানা নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
২০১৫ সালের ১৩ নভেম্বর প্যারিসের রেস্টুরেন্ট, বার, কনসার্ট হলে একযোগে হামলা করে আইএস। বন্দুকধারী ও আত্মঘাতীদের সেই হামলায় নিহত হয় ১৩০ জন।
প্যারিস হামলার পর থেকে আইএসের কর্মকাণ্ড নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক হয়েছে দেশটির সরকার।
মস্কো হত্যাযজ্ঞের পেছনে কারা, নিছক জঙ্গি হামলা নয়!