র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) নাম ও পোশাক পরিবর্তন করা হচ্ছে। সংস্থাটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হচ্ছে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স বা এসআইএ। নতুন নাম ও পোশাকের পাশাপাশি এর কার্যক্রমও শুরু হবে নতুন করে।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর র্যাব এবং এর সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট (রাজস্ব বিভাগ) ও পররাষ্ট্র দপ্তর পৃথকভাবে এই নিষেধাজ্ঞা দেয়।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা কর্মকর্তাদের মধ্যে র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদও ছিলেন, যার ওপর দেশটিতে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।
২০২৪ সালে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর একটি তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদন দেয়। ওই প্রতিবেদনেও র্যাব বিলুপ্ত করার সুপারিশ করা হয়।
এ ছাড়া নিউইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচও (এইচআরডব্লিউ) দীর্ঘদিন ধরে র্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করে আসছিলো।
পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত পুলিশ সংস্কার কমিশনের সুপারিশে বলা হয়, পুলিশের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এবং জনবান্ধব পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে র্যাবের অতীত কার্যক্রম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ পর্যালোচনা করে এর প্রয়োজনীয়তা পুনর্মূল্যায়ন করা যেতে পারে। সেই প্রেক্ষাপটেই এই বিশেষায়িত বাহিনীর নাম ও কাঠামোতে পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।
অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচিত নয়, তাই গণভোটের পক্ষে প্রচার করতে পারবে: আলী রীয়াজ