নেই কোন রুট পারমিট। জাল কাগজেই চলছে বিকাশ ও লাব্বাইক পরিবহনের বেশ কিছু বাস। বিআরটিএ ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ধরা পড়ে এমন অনিয়ম।
নির্বাহী হাকিম বলছেন, জাল কাগজ এতো নিখুঁতভাবে তৈরি যে, বাসগুলোর এসব জালিয়াতি খালি চোখে ধরা সম্ভব নয়।
বিকাশ পরিবহনের অনুমোদিত রুট পারমিট হলো সাইনবোর্ড থেকে আজিমপুর হয়ে ফার্মগেট। সেখান থেকে বনানী হয়ে গাজীপুরের চন্দ্রা।
কিন্তু এই রুটে না চলে বিকাশ পরিবহন চলছে আজিমপুর থেকে ফার্মগেট হয়ে চন্দ্রা পর্যন্ত। আর পুরোটাই চলছে ভুয়া রুট পারমিট দিয়েই।
মানিক মিয়া এভিনিউতে চলা বিআরটিএ-এর অভিযানে ধরা পড়ে বিকাশ পরিবহনের রুট বদলে চলার অনিয়ম। এমন জাল রুট পারমিটে চলছে এই পরিবহনের অনেক গাড়ি।
আরও পড়ুন: অবশেষে ট্রাক থেকে ফেলে হত্যায় মামলা নিলো পুলিশ
খালি চোখে গাড়িগুলোর জাল কাগজপত্র ধরা সম্ভব নয়। কারণ, জাল কাগজের কোথাও কোন ভুল নেই। এমনকি সবগুলো সইও যথাযথ আছে।
নিজের ফোন থেকে বিআরটিএ সার্ভারে গিয়ে নির্বাহী হাকিম দেখেন, যে কাগজে বাস চলছিলো তার কোন এন্ট্রি নেই বিআরটিএর সার্ভারে। অথচ কাগজে বিআরটিএ কর্মকর্তাদের সই আছে।
অভিযানে যেহেতু হাকিমদের সঙ্গে বিআরটিএ প্রতিনিধিও আছেন সে কারণে ধরা পড়ছে রুট পারমিটের এই অভিনব জালিয়াতি।
অভিযানে বিভিন্ন অভিযোগে আটটি গাড়ির বিরুদ্ধে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সিটি কর্পোরেশনের হাকিমের আরও দুইটি মামলায় জরিমানা করা হয় আরও ১০ হাজার টাকা।
একাত্তর/এসজে
