লঞ্চ, জাহাজসহ অভ্যন্তরীণ নৌযানের ফিটনেস সংক্রান্ত সব তথ্য ৯০ দিনের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন লাগার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিগুলোর প্রতিবেদন ৩০ দিনের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
এছাড়া লঞ্চ দুর্ঘটনায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে কেউ ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করলে স্ব স্ব জেলা প্রশাসককে তা বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি লঞ্চ দুর্ঘটনা রোধে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে আদালত রুল জারি করেছেন।
মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত আলাদা দু’টি রিটের একসঙ্গে শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ, আইনজীবী অনিক আর হক, আইনজীবী আবু রায়হান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
গত বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত তিনটার দিকে লঞ্চ অভিযান ১০ ঢাকা থেকে বরগুনা যাওয়ার পথে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর দপদপিয়া এলাকায় এলে ইঞ্জিন কক্ষ থেকে আগুন লাগে।
পরে লঞ্চটি সদর উপজেলার দিয়াকুল এলাকায় গিয়ে নদীর তীরে নোঙর করে। খবর পেয়ে ঝালকাঠির ফায়ার সার্ভিসেরকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আগুনে পুড়ে মারা যান ৪২ জন যাত্রী এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার হয় প্রায় ১০০ জনের মতো যাত্রী।
একাত্তর/ এনএ
