ঈদে ঢাকা ছাড়ার আগে বাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তালা এবং সিসি ক্যামেরা সঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
এছাড়াও ফিটনেস বিহীন গাড়ি, কাভার্ডভ্যান ও ট্রাকে যাত্রী নেওয়ার ব্যাপারেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। সোমবার দুপুরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এসব কথা বলেন তিনি।
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে নিরাপত্তার সব আয়োজন ঘুরে দেখেন পুলিশ মহাপরিদর্শক। কথা বলেন যাত্রীদের সঙ্গে। এ সময় তাদেরকে নানা ধরনের নিরাপত্তা পরামর্শও দেন তিনি।
ঈদযাত্রায় সহযাত্রীর দেয়া খাবার পানীয় না খেতে ও মলম পার্টির ছিনতাইকারী থেকে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন পুলিশ প্রধান।
রাতে ছোট নৌযান এড়িয়ে চলারও পরামর্শও দেন আইজিপি। মোটরসাইকেলে হেলমেট ব্যবহার ও যাত্রীদের সতর্কতার সাথে বাড়ি যাবারও আহবান জানান তিনি।
ঈদে বাড়ি যাওয়া মানুষের গন্তব্য ও ফেলে আসা বাসা-বাড়ি দুটিই নিরাপদ করতে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। প্রয়োজনে পুলিশ বা ৯৯৯ এ কল দেয়ার পরামর্শ দেন পুলিশ প্রধান।
আইজিপি আরও বলেন, ঈদের ছুটিতে শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যাবার সময় মূল্যবান মালামাল নিরাপদ হেফাজতে রেখে যাবেন। যারা পর্যটন কেন্দ্রে যাবেন তারাও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
যাত্রীর পাশাপাশি কোরবানির পশু পরিবহন, পশুর হাটের ও মৌসুমী ফল পরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। ছিনতাইকারি ও জাল নোট চক্রকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
আইজিপি বলেন, অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাস, লঞ্চ ও ট্রেনে ভ্রমণ করবেন না। ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ করবেন না।
ঈদযাত্রায় যানজটকালীন ভুক্তভোগীর অভিযোগগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে মোটরসাইকেলবাহী পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করবে বলে জানান পুলিশ প্রধান।
আরও পড়ুন: স্বস্তিতে ঈদ যাত্রার উদাহরণ হয়ে উঠছে ট্রেন!
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গরু চুরির অভিযোগ প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, সবগুলো হাটে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন, হাটে গরু চুরির ঘটনা ঘটলে জানানো মাত্র ব্যবস্থা নিবে।
একাত্তর/আরএ
