কোরবানির পর রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আহত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তাদের মধ্যে কেউ পশু কোরবানি করতে গিয়ে শিংয়ের গুতোয় হাত, পা ভেঙে হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন। আবার কেউ মাংস কাটতে গিয়ে কোপ বসিয়ে দিয়েছেন নিজের হাতেই। এছাড়া ছুরি, চাকু ফসকে হাত-পা জখম হওয়া রোগীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পশু কোরবানির পর হাসপাতাল দুটিতে এমন চিত্র দেখা গেছে। এছাড়া মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে আসছেন অনেকেই।
হাসপাতাল দুটির চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দুই শতাধিক আহত ব্যক্তির চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের জখম বেশ গুরুতর।
পঙ্গু হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, মিরপুরের মামুন নামের এক তরুণের পশু কোরবানির সহায়তা করতে গিয়ে হাত ফসকে রগ কেটে গেছে। তার ডান হাতের ৩০ শতাংশ কেটে দুই ভাগ হয়ে গেছে।
সাভারের মোহাম্মদ রহমত গরুর হাড় কোপাতে গিয়ে নিজের বাম হাতে কোপ মেরেছেন। এতে তার বাম হাতের রগ কেটে গেছে। দ্রুত অস্ত্রোপচার করা না হলে হাতে কেটে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে।
গরুর শিংয়ের গুতোয় আহত হয়েছেন কেরানীগঞ্জের শিমুলসহ অনেকেই। তাদের কারো হাত, আবার কারো পায়ের হাড় ভেঙে গেছে।
আরও পড়ুন: চলন্ত বাইকে খুনসুটি, ঝরলো দুই বন্ধুর প্রাণ
ঢামেক ও নিটোর চিকিৎসকরা আরও জানান, সকাল থেকে এমন শত শত রোগী আসায় চিকিৎসা দিতে অনেকটা হিমশিম খেতে হয়েছে। তবে বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কেউ নেই। তবে কয়েকজনকে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।
একাত্তর/এসি
