ঢাকার প্রান্তসীমায় চলে যাচ্ছে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল। প্রাথমিকভাবে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল স্থানান্তর হতে যাচ্ছে কাঁচপুরে। কাজ শেষে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে টার্মিনালটি চালু হতে পারে বলে জানালেন দক্ষিণের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ সমিতির সভাপতি এনায়েত উল্লাহ খান এবং সড়ক পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক সাবিহা পারভীন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সোনারগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম, কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ ওমরসহ অনেকে।
আরও পড়ুন: দুর্গম এলাকা ছাড়া সর্বত্র ভোটের ব্যালট যাবে সকালে: ইসি
আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের উদ্বোধন করে দক্ষিণের মেয়র জানান, সাড়ে বারো একর জমিতে বাস টার্মিনালটি নির্মাণ করা হবে। যেখান থেকে চলবে ১৬ জেলার বাস। কাঁচপুর টার্মিনাল চালু হলে সায়েদাবাদের বদলে আন্তঃজেলা পরিবহনের সব বাস এখান থেকে ছাড়বে। ঢাকার যাত্রীরা যেন নিরাপদে কাঁচপুর বাস টার্মিনালে এসে দূরপাল্লার বাসে সহজে আসতে পারে সেজন্য নগর পরিবহনের বাস সায়েদাবাদ থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত চলাচল করবে।

তিনি বলেন, কাঁচপুর বাস টার্মিনাল নির্মাণ কাজ শেষ হলে ঢাকার যানজট কমে আসবে এবং নগর পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ১৯৮৪ সালে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল নির্মাণের পর আর কেউ ঢাকায় বাস টামিনাল নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেনি, যে কারণে ঢাকায় পরিবহন ব্যবস্থাপনার শৃঙ্খলা নেই। নগর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতেই ঢাকার বাইরে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গায় আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পূর্ণ বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হচ্ছে।
রাজধানী ঢাকার চারপাশে আন্ত:জেলা বাস চলাচলের জন্য হেমায়েতপুর, কামরাঙ্গীরচরসহ বেশ কয়েকটি বাস টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন। তারই প্রথম উদ্যোগ কাঁচপুরে বাস টার্মিনাল নির্মাণ কাজ।
এ সময় সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, ঢাকায় গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে যে কোন উদ্যোগের পাশে থাকবেন তিনি।
সড়ক পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক সাবিহা পারভীন বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের যে জায়গায় কাঁচপুর বাস টার্মিনাল নির্মিত হচ্ছে এখান থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ১৬ জেলার প্রায় ১১ হাজার যাত্রীবাহী বাস চলাচল করবে। এই বাসগুলো ঢাকার বাইরে চলে এলে ঢাকার যানজট অনেকাংশে কমে আসবে।
একাত্তর/এআর
