শহীদ বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, মুক্তিযুদ্ধের প্রচারক এবং চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্র নির্মাতা জহির রায়হানের ৮৮তম জন্মদিন উপলক্ষে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটের স্মার্ট ল্যাবে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে জহির রায়হানের ছেলে অনল রায়হান তার বাবার স্মৃতিচারণ করেন।
অনল বলেন, বাবা এমন একজন মানুষ যিনি দেশ বিভাগের পর থেকে শিল্প, সাহিত্য, রাজনীতি, সংস্কৃতির চর্চা অন্যতম হয়ে উঠতে পেরেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অংশগ্রহণ এবং অবদান; যুদ্ধ শেষে দেশ স্বাধীন হবার পর দেড় মাস তার অংশগ্রহণ এবং অবদান, সব মিলিয়ে তিনি ইতিহাসের অন্যতম চরিত্র হয়ে গেছেন।
গ্রাফিক আর্টস ইন্সটিটিউটের অধ্যক্ষ নীহার রঞ্জন দাস বলেন, আমরা এই মহান গল্পকার ও উপন্যাসিক, নির্মাতার কাছ থেকে জীবন থেকে নেয়ার মতো অসাধারণ চলচ্চিত্র পেয়েছি। সেই সময়টিতে এ চলচ্চিত্রটি নিষিদ্ধ করেছিলো পাকিস্তান সরকার। প্রতীকীভাবে তিনি পাকিস্তান রাস্ট্রব্যবস্থার স্বৌরশাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির মনোজগতে নাড়া দিয়েছিলেন।
চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিক্ষক প্রদীপ ঘোষ বলেন, জহির রায়হান আমাদের কাছে একটি চেতনার নাম। জহির রায়হান ফিল্ম ইন্সটিটিউট সেই চেতনাকে অগ্রসর করার কাজ করে যাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করি স্বল্পমেয়াদী কোর্স সমূহে জহির রায়হানের রাজনৈতিক ভাবনার প্রতিফলিত সাহিত্য ও চলচ্চিত্রকে অনুধাবন করার কাজটি শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে।
নাট্যজন শংকর সাওজাল বলেন, জহির রায়হানসহ দেশের সূর্যসন্তানদের যদি নতুন প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দেয়া না যায় তাহলে উন্নত সংস্কৃতির বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব হবে না।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রুস্তম আলী খোকন।
একাত্তর/এসি
