তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, জি-২০ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টসহ বিশ্ব নেতাদের সাথে কুশল বিনিময়ই প্রমাণ করে, বাংলাদেশের সরকারের সাথে বিশ্বের সুসম্পর্ক রয়েছে।
রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।
এসময় তিনি আরও বলেন, বিশ্ব নেতাদের সাথে বাংলাদেশের এই সম্পর্ক যারা উপলব্ধি করতে পারেন, তারাই বুঝতে পারছেন বাংলাদেশের অবস্থান এখন কোথায়। বিশ্বনেতাদের সাথে প্রধানমন্ত্রীর যেসব ছবি প্রকাশিত হয়েছে তা বলে দেয় বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কত ঘনিষ্ঠ।
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নিজেই প্রধানমন্ত্রী ও তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সঙ্গে সেলফি তুলেছেন। কুশল বিনিময়সহ ছোটখাটো আলোচনাও হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরব আমিরাত ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টদের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। অন্য রাষ্ট্রনায়কদের সঙ্গেও তার সাক্ষাৎ এবং সাইডলাইনে আলোচনাও হয়েছে। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর এ সফর অত্যন্ত সফল হয়েছে।’
জো বাইডেনের সঙ্গে সেলফি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ছবি অনেক কথা বলে। এই ছবির ভাষা নিশ্চয়ই সাংবাদিক এবং বোদ্ধা ব্যক্তিরাও বুঝতে পারছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং আগামী দিনে আরও ঘনিষ্ঠ হবে।’
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণেই ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বাংলাদেশে আসছেন। ক’দিন আগে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন। এছাড়াও ক’দিন আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দু’দিনব্যাপী নিরাপত্তা সংলাপ হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের যে বহুমাত্রিক সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে সেটি আরও ঘনিষ্ঠ করার জন্য উভয় দেশ কাজ করছে। এই ঘটনা প্রবাহ যারা সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেন তারা বোঝেন যে বর্তমান সরকারের সঙ্গে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিশ্ব সম্প্রদায়ের গভীর সুসম্পর্ক আছে।’
ড. ইউনূস ইস্যুতে সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহাম্মদ ভূঁইয়ার মার্কিন দূতাবাসে আশ্রয় চাওয়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মার্কিন দূতাবাসে তিনি গিয়েছিলেন কিন্তু আশ্রয় পাননি। অপেক্ষা করে গেট থেকে চলে এসেছেন। অনেকেই বলছেন যে তিনি হয়তো সপরিবারে মার্কিন ভিসা চাচ্ছেন, সেই কারণে এবং আলোচনায় থাকার জন্য এই নাটকটি সাজিয়েছেন। এতে প্রমাণিত যে বিভিন্ন মতাদর্শের মানুষ সরকারি কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত আছেন। বিএনপি যে বলে বেছে বেছে শুধু দলীয় কর্মীদের আমরা বিভিন্ন জায়গায় পদে বসিয়েছি, সেটি যে সঠিক নয়, এই ঘটনার মধ্যেই তা প্রমাণিত হয়।’
