সমাজে নিয়মবহির্ভূত শক্তি বা ‘মবোক্রেসি’র আবির্ভাব হলে মেধার অবমূল্যায়ন ঘটে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, উচ্চশিক্ষিতদের উচ্চ পর্যায়ে চাকরি পাওয়া উচিত এবং তাদের সঙ্গে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। অন্যথায় দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ‘প্রকৌশলী অধিকার দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় প্রকৌশলী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্য দেশের উদাহরণ টেনে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই শিক্ষার কারিগরি দিককে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। কারণ সেখানে ‘টেকনোক্র্যাট’রাই কারিগরি বিষয়গুলো পরিচালনা করেন। দেশের উন্নয়ন সাধন করতে হলে প্রকৌশলীদের যথাযোগ্য মূল্যায়ন করতে হবে, তা না হলে দেশ সভ্যতার দিক থেকে এগোতে পারবে না।
কাউকে দ্বন্দ্ব-সংঘাতে না জড়িয়ে নিজেদের সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার আহবান জানিয়ে রিজভী বলেন, দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রকৌশলীদের যথাযথ কাজে লাগাতে হবে। তা না হলে দেশ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হবে।
বেকারত্ব দূরীকরণের বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, কেবল সরকারি চাকরি দিয়ে কোনো দেশের বেকারত্ব দূর করা সম্ভব নয়। বেকারত্ব ঘোচাতে বেসরকারি খাতেও প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
সম্মেলনে উপস্থিত অন্য বক্তারা বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ গড়তে হলে মেধাবী প্রকৌশলীদের কাজে লাগানোর কোনো বিকল্প নেই। তাই এই খাতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি ও সব ধরনের বৈষম্য দূর করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে একটি মর্যাদাভিত্তিক পেশাজীবী পরিবেশ গড়ে তোলার দাবি জানান তারা।
