পারলেন না নোভাক জকোভিচ। জেতা হলো না টেনিসের সবচেয়ে বনেদি আসর উইম্বলডনের শিরোপা। তাঁকে হারিয়ে প্রথমবার উইম্বলডন জিতে নিয়েছেন কার্লোস অলকারেজ। ফাইনালে জকোভিচের বিপক্ষে ৩-২ সেটের জয়ে দ্বিতীয় গ্রান্ড স্লাম শিরোপার স্বাদ পান এই স্প্যানিয়ার্ড।
প্রথম সেটে নোভাকের কাছে পাত্তাই পাননি অলকারেজ। ৬-১ গেমে প্রথম সেট জিতে নেন নোভাক জকোভিচ। জমে ওঠে দ্বিতীয় সেটের লড়াই। টাইব্রেকারে জিতে সমতায় ফেরে আলকারেজ। তবে তৃতীয় সেটে জকোভিচকে কোন সুযোগ দেননি তিনি।
এক তরফা আধিপত্য দেখিয়ে ৬-১ গেমে জিতে এগিয়ে যায় এই স্প্যানিয়ার্ড। শেষ সেটেও অলকারেজের বিপক্ষে ৬-৪ গেমে হেরে ২৪ তম গ্রান্ড স্লাম শিরোপা বঞ্চিত হন জকোভিচ।
সেই সঙ্গে একটানা পাঁচবার উইম্বলডন জিততে পারলেন না। আটবারও এই প্রতিযোগিতা জেতা হলো না। ছুঁতে পারলেন না রজার ফেডেরারকে।
উইম্বলডনে টানা ২৭টি ম্যাচ জেতার পর হারতে হলো জোকোভিচকে। দীর্ঘ ফাইনালের লড়াইয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন ৩৬ বছরের জোকোভিচ। সেই সঙ্গে দুই প্রতিপক্ষও প্রচুর ভুল করেছেন।

উইম্বলন টেনিসের ফাইনাল জেতার পর ২০ বছরের অলকারাজ বলেন, 'আমার স্বপ্ন সফল হলো। আমার কাছে এটা একটা মহান জয়। আমি অবশ্য হেরে গেলেও গর্বিত হতাম।
তিনি বলেন, আমি জোকোভিচকে খেলতে দেখেই বড় হয়েছি। আমি যখন জন্মেছি, তখন থেকে জোকোভিচ প্রতিযোগিতা জিততে শুরু করে দিয়েছেন। কী অসাধারণ ঘটনা।
আরও পড়ুন: ঢাকা-১৭ ও ৭৮ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ
অন্যদিকে উইম্বলডনের শিরোপা জয়ী অলকারেজকে অভিনন্দন জানিয়ে জোকোভিচ বলেন, এই প্রতিযোগিতা জয়ের জন্য তুমি সবচেয়ে যোগ্য প্লেয়ার।
তিনি বলেন, এভাবে ম্যাচ হারতে কেউই পছন্দ করবে না। বিশেষ করে জয়ের এত কাছে আসার পর। তবে আমি জিততে পারিনি। আমার চেয়ে একজন ভালো প্লেয়ারের কাছে হেরেছি।
একাত্তর/আরবিএস
