পদ্মা সেতুর সুফল পাচ্ছেন শরীয়তপুরের মানুষ। বাদ যায়নি কোরবানির পশুর হাটও। দেশের বিভিন্নস্থান হতে গরু-ছাগল এসে ভরে গেছে হাট। ক্রেতারা অন্যান্য বছরের তুলনায় কমমূল্যে পাচ্ছেন কোরবানির পশু।
পাশাপাশি স্থানীয় বিক্রেতারাও ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় সহজেই পশু নিয়ে যেতে পারছেন। তবে, অনেকের দাবি, পশুর সংখ্যা বেশি হওয়ায় কিছুটা কমেই বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্নস্থানের মতো শরীয়তপুরেও জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। এবার বিদেশি গরু না থাকলেও বিপুল পরিমাণ দেশিয় খামারের গরু-ছাগল হাটে আসায় দাম কমেছে।
ঈদ উপলক্ষে শরীয়তপুরের সখিপুর, গোসাইরহাট, মনোহর বাজার, সাজনপুর বাজার, বদরগঞ্জ দারুল আমান, ডামুড্ডা, বিকে নগর, ভোব্জেশ্বর ও কাজিরহাটসহ প্রায় ৫০টি স্থানে বসেছে অস্থায়ী কোরবানীর হাট।
গত মাসের ২৫ তারিখ থেকে শুরু হওয়া সকল হাটের বেচা-কেনা চলবে ঈদের পরে তিন দিন পর্যন্ত।
এসব হাটে পাঁচ চল্লিশ হাজার থেকে ১০ লাখ টাকায় গরু আর ৫ থেকে ৪০ হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ছাগল।
তবে বিক্রেতাদের দাবি, অন্যান্য বছরে তুলনায় এ বছর গরুর দাম কম হলেও বেচা-কেনা কম।
আরও পড়ুন: সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সাথে দায়িত্বশীলতাও প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ শামীম জানান, করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল প্রকার ঝামেলা মুক্তভাবে পবিত্র ঈদুল আজহার পশু কিনে বাড়ি যেতে পারে তার জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে এ সময় জাল টাকা নিয়ে কেউ যেন প্রতারিত না হয় সে জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।
একাত্তর/আরএ
