বর্ষ বরণের দিন চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটা এক দশকের মধ্যে মৌসুমের সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৪ সালে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল।
২০১০ সালে রাজশাহীতে পারদ উঠেছিল ৪২ দশমিক পাঁচ পাঁচ ডিগ্রিতে। আর স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতেই ৪৫ দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা, যা দেশে এ যাবৎকালের রেকর্ড।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার দুপুর তিনটায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি।
এছাড়া গত দুই এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এ চুয়াডাঙ্গায় রেকর্ড হয়। এ তাপমাত্রা আরও বাড়বে। আপাতত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই।

এদিকে একই দিন (১৪ এপ্রিল) রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছে ৪০ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৬০ সালের পরে ঢাকায় এটা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ১৯৬০ সালের এপ্রিলে ঢাকায় তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াসে, সেটা রেকর্ড শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ।
আবহাওয়া অফিসের সূত্র জানায়, ১৬-১৭ এপ্রিলের দিকে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে, বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। তবে গরমের এই দাপট অব্যাহত থাকবে। তবে সপ্তাহের শেষে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা থাকতে পারে। এপ্রিলের শেষে ভারি বর্ষণেরও আভাস রয়েছে।
আরও পড়ুন: মঙ্গল শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল
অপরদিকে, রোদের এই প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে সকাল থেকে দেশের হাজার হাজার মানুষ আনন্দোৎসবে বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে। নাচে, গানে, গল্প, কবিতায় বর্ষবরণে খামতি ছিলনা এতটুকুও।
একাত্তর/এসি
