ন্যাটো সামরিক জোটভুক্ত পশ্চিমা মিত্রদের অঙ্গীকারকৃত ইউক্রেনীয় পাইলটদের প্রশিক্ষণ বিলম্ব হওয়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
সংবামাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, শনিবার রাজধানী কিয়েভে জেলেনস্কি ও স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এক বৈঠকে মিলিত হন।
বৈঠকের পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি জানান, রাশিয়া মারাত্মক হুমকির সৃষ্টি করছে। রুশ দখলাধীন জাপোরিঝিয়া পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে একটি স্থানীয় পর্যায়ের বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রস্তুতি চলছে বলেও দাবি করেন তিনি।
পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোর প্রতি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান সরবরাহের জন্য ইউক্রেনের অনুরোধের পুনরাবৃত্তি করেন তিনি বলেন, ইউক্রেনীয় পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিতে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে মতৈক্যে পৌঁছালেও এখন পর্যন্ত এর কোনো সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি।
অংশীদার দেশগুলোর এত সময় নেয়ার কারণ তিনি বুঝতে পারছেন না বলেও অভিযোগ করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট।
এদিকে শুক্রবার ওয়াশিংটন পোস্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে, ধারণার চেয়ে ধীর গতিতে ইউক্রেনের পাল্টা হামলা শুরুর কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে কিয়েভের পশ্চিমা সমর্থকদের নিয়ে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ভ্যালেরি জালুঝনিও তার হতাশা ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: কলম্বিয়ার মাঝ আকাশে দুই ফাইটার জেটের সংঘর্ষ
যুদ্ধক্ষেত্রের ক্ষয়ক্ষতির কথা উল্লেখ করে জালুঝনি বলেন, এটি কোনো প্রদর্শনী নয়, প্রতিদিন, প্রতি মিটারের জন্য রক্ত ঝরছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, পশ্চিমা দেশগুলো থেকে দ্রুততার সঙ্গে ইউক্রেনে পর্যাপ্ত পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্রের সরবরাহ এসে পৌঁছাচ্ছে না।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ২৩শে জুন থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনী নিশ্চিতভাবে খেরসনের দনিপ্রো নদীর পূর্ব তীরে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত সেতুর নিকটে পুনরায় সেনা মোতায়েন আরম্ভ করেছে।
একাত্তর/আরবিএস
