জাপানে একদিনে দেড় শতাধিক ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ জনে। এখনো অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
খৃষ্টীয় নববর্ষের দিনে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে মধ্য জাপান। একদিনে ১৫৫টি ভূমিকম্পের আঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দ্বীপ শহর ইশিকাওয়া প্রিফেকচার।
জাপানের প্রভাবশালী সংবাদ সংস্থা এনএইচকে জানিয়েছেন, চলমান উদ্ধার অভিযানের মধ্যে ৬২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে কর্মকর্তারা। তবে এই সংখ্যা আরো বাড়বে বলে ধারণা করছেন তারা।
ভূমিকম্পের কারণে ভূমিধসে বেশ কিছু রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে শহরের প্রধান রাস্তাগুলি পরস্পর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে উদ্ধার কাজে।
আর ধসে পড়া বাড়ির নিচে অনেকেই এখনো আটকা পড়ে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, এই সপ্তাহে একই ধরনের তীব্রতার আফটারশক অর্থাৎ আরো ভূমিকম্প হতে পারে।
ওয়াজিমা শহরের কর্মকর্তারা বলছেন, ভূমিকম্পের কারণে ওয়াজিমায় প্রায় ২০০টি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে। কাছাকাছি সুজু সিটিতে উদ্ধার অভিযান ও চলাচলের সুবিধার জন্য ভেঙে পড়া ৫০টিরও বেশি বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে মাটিতে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে।
ওয়াজিমা ও সুজুর হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রিফেকচারে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে নেয়া হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্তদের। কিন্তু হাজার হাজার মানুষরা এখন বিদ্যুৎহীন রয়েছে এবং কিছু এলাকায় পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ গোটো হিরোয়ুকি বলেছেন, সোমবার হয়ে যাওয়া ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপকতা আরো বাড়তে।
ভিসা ছাড়াই আসা-যাওয়া করবে চীনা ও থাইরা