গাজা যুদ্ধ নিয়ে প্রথমবারের মতো নীরবতা ভাঙল সৌদি আরব। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ‘নাকবা’ অর্থাৎ ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বহিষ্কারের যে চক্রান্ত করছে ইসরাইল তার নিন্দা জানিয়েছে রিয়াদ।
বুধবার সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ইসরাইলের এ পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে। খবর আল মায়াদিনের।
সম্প্রতি গাজার জনগণকে বাস্তুচ্যুত করে নতুন ইহুদি বসতি গড়ে তোলার জন্য গাজা পুনর্দখল করার আহবান জানান ইসরাইলের মন্ত্রী ইতামার বেন জাভির এবং বেজালেল স্মোট্রিচ।
বিবৃতিতে ইসরাইলের দুই মন্ত্রীর চরমপন্থি বক্তব্যকে রিয়াদ সুস্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে এর নিন্দা জানিয়েছে।
সৌদি আরব বলছে, ইসরাইলের সরকারের পক্ষ থেকে যে সমস্ত বক্তব্য-বিবৃতি দেয়া হয়েছে তা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সাথে সাংঘর্ষিক।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গাজা যুদ্ধের তিন মাস পার হতে চললেও এতোদিন নীরব ছিলো সৌদি আরব। তবে এই বিবৃতির মাধ্যমে গাজা ইস্যুতে সেই নীরবতা ভাঙলো রিয়াদ।
এর আগে গত রোববার ইসরাইলি মন্ত্রী স্মোটরিচ বলেছিলেন, গাজার ২০ লাখ মানুষের মধ্যে যদি দুই লাখ রাখা হয় আর সবাইকে বহিষ্কার করা হয় তাহলে গাজা কখনো ইসরাইলের জন্য হুমকি হয়ে উঠবে না। এর একদিন পর আরেক মন্ত্রী বেন জাভির অতীতে গাজায় বসবাসরত ইহুদি নাগরিকদের আবার গাজায় ফেরার আহবান জানান।
এই দুই মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পরপরই বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় উঠেছে।
গাজার হামাস সরকার এই বক্তব্যকে অবাস্তব কল্পনা বলে উল্লেখ করেছে।
নাকবা অর্থ “দুর্যোগ”, যা দিয়ে ১৯৪৮ সালে সংঘটিত ফিলিস্তিন যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিনি আরবদের দেশত্যাগকে বোঝানো হয়। সে সময় সাত লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুহারা হয়েছিলেন। এছাড়াও নাকবা দ্বারা যুদ্ধ এবং ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৯৪৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ফিলিস্তিনিদের ওপর প্রভাব ফেলা ঘটনাবলীকেও বোঝানো হয়।
মাইনাস ৪৩ ডিগ্রিতে নেমেছে সুইডেনের তাপমাত্রা, কাঁপছে স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চল