পরিমাণে গরমিল থাকায় মদ বাদ দেওয়া হলেও আইস ও এলএসডির মতো মাদকের বিষয়ে চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ গঠন করে মামলা চালানোর আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি আমিনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালত বলেন, পরীমনির বাসায় যে এলএসডি ও ক্রিস্টাল মেথ বা আইস পাওয়া গেছে, সে বিষয়টি বিচারিক আদালতে সাক্ষ্য প্রমাণের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
তার বাসায় বিদেশি মদ পাওয়ার বিষয়ে আদালত বলেন, পরীমনির মদ পানের লাইসেন্স ও মদে অ্যালকোহলের মাত্রা কম থাকায়, মদ জব্দের বিষয়টি বাদ দিয়ে এই মামলার বিচার করতে হবে।
২০২১ সালের ৪ আগস্ট আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালিয়ে বিদেশি মদ, এলএসডি ও আইস উদ্ধার করে র্যাব।
এ ঘটনায় পরীমনিকে গ্রেপ্তার করে তিন দফায় ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তখন ২৭ দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্ত হন ঢাকায় চলচ্চিত্রের আলোচিত এই নায়িকা।
অভিযানের দুই মাস পর পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ বা সিআইডি।
পরীমনিসহ অন্য দুই আসামির বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন করে বিচারিক আদালত। এদিকে মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন পরীমণি।
এরপর ২০২২ সালের পহেলা মার্চ রুল দিয়ে মামলার কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। রুলে জানতে চাওয়া হয় যে, পরীমনির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার কার্যক্রম কেন বাতিল হবে না।
মামলা স্থগিতের পরই হাইকোর্টের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
জব্দ করা মালামাল ফেরত চেয়েছেন পরীমনি