এলজিবিটি আন্দোলনকে ‘চরমপন্থি ও সন্ত্রাসী’ সংগঠনের তালিকায় যুক্ত করলো রাশিয়া। শুক্রবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, গত নভেম্বর মাসে রাশিয়ার সুপ্রিম কোর্ট এলজিবিটি আন্দোলনের কর্মীদের ‘চরমপন্থি’ হিসাবে আখ্যা দেয়। দেশটির সমকামী ও ট্রান্সজেন্ডার প্রতিনিধিরা আশংকা করছেন তাদেরকে গ্রেপ্তার করে অন্যায় ভাবে বিচার করা হবে। সম্প্রতি এলজিবিটি আন্দোলনকে সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় যুক্ত করা এরই আভাস দিচ্ছে।
সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকাটি রোসফিনমনিটরিং নামক একটি সংস্থার কাছে আছে। সংস্থাটির কাছে ১৪ হাজারের বেশি মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করার ক্ষমতা রয়েছে। এই সংস্থার তালিকার মধ্যে আল কায়েদা থেকে শুরু করে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটা ও প্রয়াত বিরোধী নেতা আলেক্সি নাভালনির নামও ছিলো।
রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ এবছরের নতুন তালিকা ঘোষণার সময় আন্তর্জাতিক এলজিবিটি আন্দোলনকে যুক্ত করে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম উইওন বলেছে, গত বৃহস্পতিবার বারে কাজ করা দুজন কর্মীকে রাশিয়ার পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। এলজিবিটি আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের ওপর। ওই দুই জনকে এলজিবিটি ও সমকামিতা প্রচারে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
নভেম্বরে ‘আন্তর্জাতিক এলজিবিটি আন্দোলন’ নিষিদ্ধ হওয়ার পর এই প্রথম রাশিয়ায় এমন মামলা করা হয়েছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০২২ সালের ডিসেম্বরে জনসাধারণের মধ্যে এলজিবিটি নিয়ে কোনো ইতিবাচক কথাবার্তাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছেন। এছাড়াও গত বছরের জুলাই মাসে রাশিয়ায় চিকিৎসার মাধ্যমে মানুষকে লিঙ্গ পরিবর্তনকে নিষিদ্ধ করেছেন পুতিন।
পশ্চিমা মনোভাব ও শিক্ষা থেকে রাশিয়াকে সরিয়ে আনতে এমন চরম পদক্ষেপ নিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
মস্কো হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩৩, আটক ১১