আর্থিক ঝুঁকি ও রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে- দেশের এমন নয়টি ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এসব ব্যাংকের কোনো চেক ও পে অর্ডার গ্রহণ করা হবে না।
এরি মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কোনো প্রতিষ্ঠান এসব ব্যাংকের চেক বা পে অর্ডার প্রদান করলে সেগুলো গ্রহণ না করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়ে দিয়েছে।
এসব ব্যাংকের মধ্যে দেশের আলোচিত ব্যবসায়ী গ্রুপ এস আলমের মালিকানাধীন সাতটি ব্যাংকই রয়েছে।
নয়টি ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে-গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংক।
বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে ৯টি ব্যাংকের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের লেনদেন স্বাভাবিক নিয়মে চলছে না। এসব ব্যাংক থেকে পূর্বের মেয়াদি আমানতসহ বিভিন্ন আমানত উত্তোলন করতে পারছে না বন্দর। ফলে এসব ব্যাংকে সব ধরনের লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, সাধারণত দরপত্র দাখিলের সময় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে পে–অর্ডার নেওয়া হয়। আবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি নেওয়া হয়। বন্দর যাতে কোনো সমস্যায় না পড়ে, সে জন্য সতর্কতা হিসেবে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এই নয়টি ব্যাংককে এর আগে রুগ্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে কেন্দ্রী ব্যাংক। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকে থাকা এসব ব্যাংকের চলতি হিসাবে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে এসব ব্যাংকের চেকের লেনদেন নিষ্পত্তি হচ্ছে না।
ব্যাংক থেকে টাকা তোলার সীমা বেড়ে পাঁচ লাখ