ভূমধ্যসাগরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা অভিমুখী ফ্লোটিলার ১৩টি নৌকা আটক করেছে ইসরাইলি বাহিনী। এসময় ৩৭ দেশের ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে দখলদাররা। আটক হওয়াদের মধ্যে সুইডিশ অধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও আছেন।
বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ফ্লোটিলার ১৩টি নৌযান আটকের তথ্য জানিয়েছে ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বার্তায় বলা হয়েছে, হামাস-সুমুদ ফ্লোটিলার বেশ কয়েকটি নৌযান থামিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সেসব নৌযানে থাকা যাত্রীদের নিরাপদভাবে ইসরাইলের বন্দরে নিয়ে আসা হয়েছে।

এদিকে ইসরাইলের হস্তক্ষেপ ও ধরপাকড়ের পরও ফিলিস্তিনের গাজার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ ত্রাণবাহী ৩০টি নৌযান। সেগুলো উপত্যকাটি থেকে ৮৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। বার্তা আদানপ্রদানের অ্যাপ টেলিগ্রামে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে ইসরাইলি হস্তক্ষেপকে তারা ‘অপহরণ’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বহরের যে আটটি নৌযানে ইসরাইলের হস্তক্ষেপের খবর পাওয়া গেছে সেগুলো হলো—দেইর ইয়াসিন, হিউগা, স্পেক্টার, আদারা, আলমা, সিরিয়াস, আরোরা ও গ্রান্ডি ব্লু।

এর আগে গত ৩১ আগস্ট স্পেনের বন্দর থেকে খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রীতে পূর্ণ ৫৫টি জাহাজ নিয়ে গাজার উদ্দেশে রওনা দেয় গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা। ফ্রিডম ফ্লোটিলা ফাউন্ডেশন, গ্লেবাল মুভমেন্ট টু গাজা, মাগরেব সুমুদ ফ্লোটিলা এবং সুমুদ নুসানতারা—এই চার আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত এই ফ্লোটিলা।
২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরাইলি বাহিনী গাজায় গণহত্যা শুরুর পর এ পর্যন্ত যত ত্রাণের বহর গাজায় পৌঁছেছে, সেগুলোর মধ্যে ফ্লোটিলার এই বহরটি সবচেয়ে বড়।
গাজামুখী ফ্লোটিলা বহরকে আটকাতে ব্যর্থ হলো ইসরাইল