আকাশপথে সম্ভাব্য নিরাপত্তার ঝুঁকির আশঙ্কায় পবিত্র মক্কা নগরী ও জেদ্দাসহ দেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় চার প্রধান শহরে আকস্মিক জরুরি বিপদ সংকেত জারি করেছিল সৌদি আরবের বেসামরিক প্রতিরক্ষা অধিদপ্তর। তবে জরুরি মোবাইল নোটিফিকেশন ও সাইরেন জারির মিনিট পাঁচেক পরেই আবার নতুন নোটিশ জারি করে এই সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেয় কর্তৃপক্ষ।
বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে জানা গেছে, সতর্কবার্তা জারি করা চার শহরের মধ্যে পবিত্র মক্কা নগরীর পাশাপাশি লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী জেদ্দা, শিল্পাঞ্চল নগরী ইয়ানবু এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তায়েফ অন্তর্ভুক্ত ছিল। সতর্কতা চলাকালীন বাসিন্দাদের জরুরি বার্তা পাঠিয়ে অবিলম্বে ‘নিকটতম নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার’ নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
তবে ঠিক কী কারণে এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল কিংবা আকাশপথে কোনো শত্রুপক্ষের ড্রোন বা মিসাইল শনাক্ত কিংবা ধ্বংস করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত কিছু জানায়নি। পরিস্থিতি পর্যালোচনার কিছুক্ষণ পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় যে সাময়িক সেই ঝুঁকি কেটে গেছে এবং সতর্কতার মেয়াদ শেষ হয়েছে।
একই সঙ্গে, ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলা প্রতিরোধ সম্পর্কিত কোনো তথ্য, ভিডিও কিংবা ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করার বিরুদ্ধে আইনি কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও সতর্কবার্তার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা।
সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তৈরি হওয়া চরম রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই এমন ঘটনা ঘটল। বিশেষ করে পাশের দেশ ইয়েমেনে পুনরায় শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের জের ধরে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবের বিভিন্ন সামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনায় বারবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে।
এই অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি ও সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার রেখেছে।
আবার হামলা হলে সমুদ্রের তলদেশের ক্যাবল কাটবে ইরান
ব্যক্তিগত আক্রমণে উত্তপ্ত লুলা-বোলসোনারো মহারণ