‘স্বাভাবিকতা এবং পরস্পরের প্রতি সম্প্রীতির সাধনা’ এমন প্রত্যয়ে এবার রমনা বটমূলে নতুন বাংলা বছরকে বরণ করবে ছায়ানট। ১৪৩১ বঙ্গাব্দের নতুন প্রভাতে গানে পাঠে থাকবে অন্ধকার থেকে আলোর সন্ধান। প্রায় দেড় শতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণে সেই প্রভাতী আয়োজনের মহড়া চলছে ছায়ানট ভবনে।
শুধু অচেতন ভাঙার ডাকই নয়, রমনার ছায়াতলে প্রভাতী আয়োজনে ক্রান্তিকাল পেরিয়ে স্বাভাবিক এক প্রত্যয়ের ডাক দিয়ে যাবে ছায়ানট। তাতে মিশে থাকবে অসাম্প্রদায়িকতা, নারীর প্রতি সহনশীলতা আর হিংসা-নিন্দা মুছে ফেলার আহবান।

ছায়ানটের সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমেদ লিসা বলেন, স্বাভাবিকতা এবং পরস্পরের প্রতি সম্প্রীতির সাধনা করতে হবে। আমরা কিন্তু একটা ক্রান্তিকাল পার করেছি। আমরা যেন আবার স্বাভাবিক জীবনের মধ্যে আসতে পারি এবং সেই সঙ্গে সমাজে যে ধরনের অনাচার কিংবা নারীর প্রতি বিদ্বেষ অথবা অসাম্প্রদায়িকতাসহ আমাদের যে বিকারগ্রস্ততা রয়েছে সেগুলো থেকে বেরিয়ে যেন একটা স্বাভাবিক জীবনের পথে যেন আমরা যাই।
এবার দেড় শতাধিক শিল্পীর আয়োজনে গান, কথনে থাকবে আলোর সন্ধান। থাকবে চমক।
এ বিষয়ে লিসা বলেন, শুরুতে প্রভাতী সুরে বাঁশিতে আমরা একটি বাজনা শুনবো। তারপর রবীন্দ্রনাথের ‘আঁধার রজনী পোহালো’ দিয়ে শুরু হবে আয়োজন।

তিনি বলেন, কোভিডের পর এবারই ছেলেমেয়ের অংশগ্রহণের সংখ্যা অনেক বেশি। নিয়মিত তারা আসছে, গান শিখছে।
ছায়ানট ভবন সে প্রাণিত আয়োজনের মহড়ায় মুখর। প্রতিদিন পালা করে চলছে মহড়া। বরাবরের মতোই ছায়ানট সভাপতির কথন শেষে জাতীয় সংগীতে শেষ হবে রমনায় ছায়ানটের আয়োজন।
