অবশেষে টানা কয়েক দিনের প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরম শেষে স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজলো রাজধানী ঢাকা।
রোববার (১১ মে) সন্ধ্যা থেকেই মেঘলা ছিলো ঢাকার আকাশ । রাত ৮টার পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। সোমবার সকালেও তা অব্যাহত রয়েছে।
বৃষ্টির সাথে মিরপুর, কারওয়ানবাজার, বাংলামোটর, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা, গুলশান, বনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় ঠান্ডা বাতাস বয়ে গেছে। এতে জনজীবনে মিলছে স্বস্তি।
এদিকে আবহাওয়া অফিসের সূত্র জানিয়েছে, রোবাবর ঢাকার কয়েক জেলাসহ ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলা, সিলেট বিভাগের চার, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, রাঙামাটি, কুমিল্লা, বাহ্মণবাড়িয়া ও পঞ্চগড়, চট্টগ্রাম, রাজশাহী এবং আরও কয়েক জেলায় বজ্রসহ শিলা বৃষ্টি হয়েছে। সর্বোচ্চ ৫২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে রাঙ্গামাটিতে।
অন্যদিকে সোমবার (১২ মে) ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত থাকতে পারে।
সোমবার সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
খুলনা বিভাগে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তা এক থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগসহ রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা, ময়মনসিংহ, জামালপুর এবং শেরপুর জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু এলাকা থেকে প্রশমিত হয়ে পারে।
এই সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে বিচ্ছিন্নভাবে কালবৈশাখি ঝড়ের আভাস রয়েছে। তবে তাপপ্রবাহও থাকবে। যে তাপপ্রবাহ বইছে তা ধীরে ধীরে কমবে।
রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৪১ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সোমবার ছয় বিভাগে বৃষ্টি ও তিন ডিগ্রি পর্যন্ত তাপ কমার আভাস
কিশোরগঞ্জে বজ্রপাতে তিন কৃষক নিহত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বজ্রপাতে চার মৃত্যু