সরকারের দেয়া দুই মাসের সময়সীমার মধ্যেই ঢাকা-চট্টগ্রামে সব ক্যাবল টিভি গ্রাহককে, ‘সেট টপ বক্সে’র আওতায় আনা সম্ভব বলে মনে করছে, ক্যাবল অপারেটররা।
তারা বলছেন, এনিয়ে গ্রাহকদের অনীহা আছে। তারপরও লক্ষ্যপূরণে তারা আন্তরিক। এজন্য অন্তত পাঁচ বছর ‘সেট টপ বক্সে’র উপর আরোপিত আমদানি শুল্ক মওকুফ চান তারা।
‘ডিজিটাল বাংলাদেশে’ সম্প্রচার মাধ্যমকেও ডিজিটাল করতে ৩১ মার্চের মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রামের সব ক্যাবল টিভি গ্রাহককে ‘সেট টপ বক্সে’র আওতায় আনতে চায় সরকার।
মাসের প্রথম দিনে নতুন করে আবারও ঘোষণাটি দেন স্বয়ং তথ্যমন্ত্রী। তার বেধে দেয়া সময়ের মধ্যেই দুই শহরকে ‘সেট টপ বক্সে’র আওতায় আনতে চান ক্যাবল টিভি অপারেটররাও।
তারা বলছেন, চাহিদা মতো ‘সেট টপ বক্সে’র মজুদও আছে তাদের। তবে গ্রাহক সচেতনতা বাড়াতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত প্রচারের।
আরও পড়ুন: বচ্চন পরিবারে আবারও করোনার হানা
তবে ‘সেট টপ বক্স’ স্থাপনে গ্রাহকদের অনীহার কথা জানিয়ে ইউনাইটেড কমিউনিকেশন সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানিয়েছেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তারা সক্ষম।
এদিকে, গ্রাহকদের অভিযোগ ‘সেট টপ বক্সে’র দাম বেশি। তাই আগামী পাঁচ বছরের জন্য ‘সেট টপ বক্সে’র ওপর ২২ শতাংশ আমদানি শুল্ক মওকুফের দাবি জানিয়েছেন এই ব্যবসায়ী।
একাত্তর/আরবিএস
