বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘযাত্রার প্রমোদতরী গঙ্গা বিলাস এখন সুন্দরবনে। শুক্রবার দুপুরে নৌযানটি সুন্দরবনের বাংলাদেশ সীমানায় প্রবেশ করেছে। শনিবার দুপুরে মোংলা বন্দরে নোঙর ফেলবে পাঁচ তারকা প্রমোদতীয় এমভি গঙ্গা বিলাস। এজন্য প্রস্তুত বন্দরও।
ভারতীয় মালিকাধীন প্রমোদতরীতে থাকা পর্যটকদের স্বাগত জানাতে নানা প্রস্তুতি নিয়েছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী, ভারতীয় হাইকমিশনার ও মোংলা বন্দর চেয়ারম্যানসহ পদস্থ কর্মকর্তারা অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।
বাংলাদেশে অবস্থানকালে ‘গঙ্গা বিলাস’ খুলনা জেলার কয়রার আংটিহারা হয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করে মোংলা বন্দর দিয়ে বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদ এলাকা ঘুরবেন বিদেশি পর্যটকরা। পরে নৌ পথে বরিশাল হয়ে মেঘনা ঘাটে অবস্থান করে সোনারগাঁও ও ঢাকায় ভ্রমণ করবেন তারা।
এরপর টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ হয়ে কুড়িগ্রামের চিলমারী, রংপুরের দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণের সুযোগ থাকছে তাদের। শেষে তারা ভারতে প্রবেশ করবেন চিলমারী হয়ে। আগামী ১৩ মার্চ গঙ্গা বিলাস আসামের ডিব্রুগড় থেকে একই পথে ফেরার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন: চান্দেশ্বর অফিস ছাড়েনি দুই বাঘ, যোগ দিয়েছে আরও একটি
তিনটি ডেকসহ এমভি গঙ্গা বিলাস দৈর্ঘ্যে ৬২ মিটার লম্বা ও প্রস্থে ১২ মিটার। ভারতের উত্তর প্রদেশের বারাণসী থেকে বাংলাদেশ হয়ে আসাম পর্যন্ত নদীপথে ৩ হাজার ২০০ কিলোমিটার পাড়ি দেবে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘযাত্রার এই প্রমোদতরী। এ যাত্রাপথে সময় লাগবে ৫১ দিন।
বিআইডব্লিউটিএ এ দেশের জলসীমায় জাহাজটিক সার্বিক সহযোগিতা দেবে। প্রটোকল রুটের নাব্য রক্ষা, বার্দিং সুবিধা নিশ্চিতকরণ ও নৌপথ ব্যবহারের জন্য ভয়েস পারমিশন প্রদান এবং ভয়েস পারমিশনের সার্বিক মনিটরিংয়ের দায়িত্বেও থাকবে বিআইডব্লিউটিএ। বাংলাদেশের নৌপথ অতিক্রমকালে জাহাজটিকে যথাযথ নিরাপত্তা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
একাত্তর/এসি
