করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দেশে কঠোর বিধিনিষেধ চললেও বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে যাত্রীদের ভিড় কমেনি। কঠোর বিধিনিষেধে যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার কথা থাকলেও স্বাভাবিক নিয়মে চলছে সব। বাংলাবাজার ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় আছে পাঁচশতাধিক পন্যবাহী ট্রাক।
বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকেই বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে ঢাকাগামী যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে আসা যাত্রীদের চাপও বেড়েছে।
বাংলাবাজার নৌপুলিশের পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বুধবার (২৮ জুলাই) সকাল থেকে যাত্রীর চাপ বেশি ছিল। গাড়ির চাপ তেমন নেই। যাত্রীরা বেশির ভাগই ঢাকামুখী। ঢাকা থেকে কম আসছেন। ফেরিঘাটে আসা মানুষ ঠেকানো যাবে না। কারণ ঘাটে মোবাইল কোর্ট নাই, পুলিশের জনবল কম। তাই ফেরি এসেই হুড়োহুড়ি করে উঠে পড়েন যাত্রীরা।
গণপরিবহন বন্ধ থাকায় থ্রি-হুইলার এবং মোটরসাইকেলে চেপে সাধারণ যাত্রীরা শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে চলে আসেন। এরপর ফেরিতে উঠতে আর বাধা থাকে না তাদের। যাত্রী ভাড়া ২৫ টাকা দিয়ে অনায়াসেই ফেরিতে উঠছেন যাত্রীরা।
বাংলাবাজার ফেরিঘাট সূত্র জানায়, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া নৌপথে সাধারণ যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয় সরকার। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা রাজধানীগামী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেশি দেখা গেছে।
আরও পড়ুন: উষ্ণ সম্পর্কের লক্ষ্যে চীন-তালেবান আলোচনা শুরু
বর্তমানে এ নৌপথে চারটি রো রো ও তিনটি কে-টাইপ ফেরি চলাচল করছে। ফেরিগুলোতে যানবাহনের পাশাপাশি টিকিট কেটে সাধারণ যাত্রীদের পারাপার করা হচ্ছে। ঘাটের টার্মিনালেও প্রায় শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে। ঘাটের চারটি পন্টুনে পদ্মা পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছেন ঢাকামুখী যাত্রীরা। এসব যাত্রী মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, মাহিন্দ্র বা অটোরিকশায় করে ঘাটে আসছেন কোনো প্রকার বাধা ছাড়াই।
একাত্তর/আরবিএস
