ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলে দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষক পর্যবেক্ষক নেটওয়ার্ক। যদিও ভোটে কারচুপি, পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছে ছাত্রদল ও ছাত্র শিবির।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ডাকসু নির্বাচনের সার্বিক বিষয় নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে শিক্ষকরা এই মন্তব্য করেন।
ঢাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে। অনেক ভোটার ভোট দিয়ে বুথের কলম নিয়ে চলে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, পরে বলপয়েন্ট দিয়ে ভোট দিয়েছে ভোটাররা। এসব ব্যালট মেশিন যদি রিড না করতে পারে তাহলে দায় কার?
তিনি বলেন, অনেক কেন্দ্রেই প্রার্থীকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। কারণ গেট কিপারদের কাছে যথার্থ তথ্য পৌঁছানো হয়নি। এ ধরনের কিছু অব্যবস্থাপনা না থাকলে আমরা আরও ভরসা নিয়ে এটিকে ভালো নির্বাচন বলতে পারতাম।
৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এতো ভোটার আসবে তা হয়তো প্রশাসন ভাবেনি। তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কম লোকবল নিয়োগ দিয়েছিলো।
নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তবে নির্বাচটি কেমন হয়েছে এখন পর্যন্ত তা বলার সময় হয়নি। নানান গুজব-অস্থিরতা আছে। প্রশাসনের কিছু বিষয়ে অব্যস্থাপনাও দেখা গেছে। তথ্যের গ্যাপ এবং ভুল বোঝাবুঝিও দেখা গেছে। সবাই যথেষ্ট পোলিং এজেন্ট পায়নি। অনেকেই পাস পেয়েছেন দেরিতে। কেউ কেউ আবেদন করেও পায়নি। এমন কিছু কিছু ঘাটতি ছিল। এগুলো না হলে আরও ভালোভাবে শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে পারতো।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক গীতিআরা নাসরিরন বলেন, সবকিছু মিলিয়ে আমরা মনে করি না বড়ো কোনো অসঙ্গতি হয়েছে বা অগ্রহণযোগ্য হয়েছে।
