আইয়ুব বাচ্চু, বাংলাদেশের একজন অন্যতম সেরা গিটারবাদক ও কিংবদন্তী ব্যান্ডসংগীত তারকা। ৯০-এর দশকে মাতিয়েছেন সঙ্গীতাঙ্গনের অডিও ইন্ডাস্ট্রি আর কনসার্টের মঞ্চ। পেয়েছেন তুমুল জনপ্রিয়তা। বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও তার পরিচিতি ছড়িয়েছে। আইয়ুব বাচ্চুর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর মারা যান।
আইয়ুব বাচ্চু ১৯৭৬ সালে, চট্টগ্রামে কলেজ জীবনে ‘আগলি বয়েজ’ নামের ব্যান্ড গঠনের মাধ্যমে সঙ্গীত জীবনের সূচনা করেন। ১৯৭৭ সালে ‘ফিলিংস’ ব্যান্ডে যোগ দেন। এই ব্যান্ড দলের সঙ্গে ১৯৮০ পর্যন্ত কাজ করেন। এরপর তিনি ‘সোলস’-এর প্রধান গিটারবাদক হিসেবে কাজ করেন। সোলস-এ ছিলেন ১৯৯০ সাল পর্যন্ত। আইয়ুব বাচ্চু ১৯৯১ সালের পাঁচ এপ্রিল, তার নিজের ব্যান্ড ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’ গঠন করেন, যা পরবর্তীকালে ‘লাভ রানস ব্লাইন্ড’ নামে বা সংক্ষেপে ‘এলআরবি’ নামে জনপ্রিয়তা পায়।

আইয়ুব বাচ্চুর কণ্ঠে কালজয়ী গানের মধ্যে ‘সেই তুমি’, ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘এখন অনেক রাত’, ‘মেয়ে’, ‘কেউ সুখী নয়’, ‘হাসতে দেখো গাইতে দেখো’, ‘এক আকাশের তারা’, ‘রুপালি গিটার’, ‘উড়াল দেবো আকাশে’, ‘তারা ভরা রাতে’, ‘বেলা শেষে ফিরে এসে’ উল্লেখযোগ্য।
ব্যান্ড সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা আইয়ুব বাচ্চু, চলচ্চিত্রেও গান গেয়েছেন এবং জনপ্রিয়তাও পেয়েছেন। যেসব সিনেমায় প্লেব্যাক করেছেন তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য- লুটতরাজ, সাগরিকা, লাল বাদশা, আম্মাজান, গুণ্ডা নাম্বার ওয়ান, ব্যাচেলর, রং নাম্বার, চোরাবালি, তেজী অন্যতম।
মাত্র ৫৬ বছর বয়সে ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ব্যান্ড সংগীতের এই উজ্জ্বল নক্ষত্র। আইয়ুব বাচ্চুকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য চট্টগ্রামের প্রবর্তক মোড়ে ১৮ ফুট উচ্চতার একটি গিটারের ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়। আইয়ুব বাচ্চুর একটি জনপ্রিয় গানের শিরোনাম অনুসারে এই ভাস্কর্যের নাম রাখা হয়- ‘রূপালি গিটার’।
যেসব কারণে আত্মগোপনে গায়িকা মমতাজ