চাঁদে অবতরণের জন্য মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তার নতুন মহাকাশযান স্পেস লঞ্চ সিস্টেমের (এসএলএস) যাত্রা শুরুর ক্ষণগণনা করছে।
সোমবার (২৯ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল আটটা তেত্রিশ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হবে।
চাঁদে মানবজাতির অবতরণের পঞ্চাশ বছর পর আবার মানুষকে চন্দ্রপৃষ্ঠে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার এই প্রকল্পটির নাম আর্টেমিস। এসএলএস নাসার তৈরি এপর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী মহাকাশ যান।
এই রকেট একটি ক্যাপসুল বহন করবে। এই ক্যাপসুলের নাম ওরাইয়ন। এই ওরাইয়ন চাঁদের চারপাশে পরিভ্রমণ করবে।

তবে এই যাত্রায় কোন মানুষ থাকবে না। সবকিছু পরিকল্পনামাফিক চললে পরবর্তী মিশনগুলোতে মহাকাশচারীরা যোগ দেবেন।
নাসার এক্সপ্লোরেশন সিস্টেমস ডেভেলপমেন্টের সহযোগী প্রশাসক জিম ফ্রি বলেন, 'পর্যালোচনা থেকে আমরা কোন নেতিবাচক ফলাফল পাইনি। এবং এ নিয়ে আমাদের মধ্যে কোন ভিন্নমতও তৈরি হয়নি।'
আরটেমিস প্রোগ্রামের নাম রাখা হয়েছে প্রথমবারের মতো চাঁদে মানুষ নিয়ে যাওয়া অ্যাপোলো প্রোগ্রামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে। গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী, দেবী আরটেমিস ছিলেন দেবতা অ্যাপোলোর যমজ বোন ও চাঁদের দেবী।
আরও পড়ুন: মাঝ আকাশে বিমানের ককপিটেই দুই পাইলটের মারামারি
ওরাইয়নকে চাঁদ এবং একে ছাড়িয়ে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে ৪২ দিনের জন্য। আশা করা হচ্ছে, আগামী ১০ অক্টোবর এটি পৃথিবীতে ফিরে আসবে।
আর্টেমিস-২-এ প্রথম মনুষ্যবাহী মিশন পাঠানোর লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে ২০২৪ সালে। আর আর্টেমিস-৩ ২০২৫ সালের আগে চাঁদে যাবে না।
একাত্তর/এসজে
