রাশিয়ার দখল থেকে আরো দুই হাজার বর্গকিলোমিটার অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেছে
ইউক্রেন। এ নিয়ে মুক্তাঞ্চলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আট হাজার বর্গকিলোমিটার।
মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এ তথ্য জানান। এদিকে, খারকিভ থেকে পিছু হটলেও পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া।
ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণের বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রুশ বাহিনী। মঙ্গলবার ইউক্রেন এ তথ্য জানিয়েছে।
বলা হয়, বিমান, মিসাইল, হাই মোবেলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম থেকে এসব হামলা চালানো হচ্ছে।
হামলা চালানো হচ্ছে লুহানস্ক, দোনেস্ক, মাইকোলাইভ ও চেরকাসিতে। এছাড়া, দখলকৃত অঞ্চল ত্যাগের সময় রুশ বাহিনী লুটপাট চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ কিয়েভের।
মঙ্গলবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, আরো ২ হাজার বর্গকিলোমিটার অঞ্চল রুশ দখল থেকে মুক্ত করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী।
এনিয়ে উত্তরপূর্বাঞ্চলের খারকিভে মুক্তাঞ্চলের পরিমাণ দাঁড়ায়েছে আট হাজার বর্গকিলোমিটার। জেলেনস্কি জানান, পুনরুদ্ধার করা অঞ্চলে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে।
ইউক্রেনের দখলকরা ভূমি রাশিয়ার কাছ থেকে পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহায়তা চানি তিনি।
আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ইউক্রেনের জন্য আরেকটি সামরিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানান, ইউক্রেন যুদ্ধের টার্নিং পয়েন্টে পৌঁছেছে কিনা এটা বলা কঠিন। তবে ইউক্রেন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হবে বলেও জানান তিনি।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, রাশিয়ার দখল করা ক্রিমিয়া ও ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় অঞ্চল থেকে রুশ সামরিক কমান্ডার ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা তাদের পরিবারকে জরুরি ভিত্তিতে রাশিয়ার মূলখণ্ডে সরিয়ে নিচ্ছে।
আরও পড়ুন: রানির শেষকৃত্যে দাওয়াত পায়নি রাশিয়াসহ তিন দেশ
ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর বড় বিপর্যয়ের মধ্যেই বৃহস্পতিবার উজবেকিস্তানে বৈঠকে বসছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
মধ্য এশিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পরাশক্তির মধ্যে দীর্ঘদিন ধোরে ঠাণ্ডা লড়াই চলছে। বৈঠকে বিষয়টি আবারো উত্থাপন হতে পারে বোলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
একাত্তর/আরবিএস
