স্নায়ুযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে পশ্চিমাদের সামরিক জোট ন্যাটো। আগামী সপ্তাহ থেকে এই মহড়া শুরু হবে। মাসব্যাপী এই মহড়ায় অংশ নেবে কমপক্ষে ৯০ হাজার সেনা।
জোটের শীর্ষ কমান্ডার জেনারেল ক্রিস ক্যাভোলি জানান, আঞ্চলিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এ মহড়া পরিচালনা করা হবে। রাশিয়ার যে কোনো হামলা মোকাবিলার প্রস্তুতি নেয়া হবে।
ন্যাটো জানায়, ৫০টির বেশি বিমানবাহী রণতরী মহড়ায় অংশ নেবে। থাকছে ৮০টির বেশি জঙ্গিবিমান, কপ্টার ড্রোন ও কমপক্ষে এগারশ’ যুদ্ধযান। এতে ন্যাটো ছাড়ও সুইডিশ সেনারা অংশ নিবে।
ন্যাটো কমান্ডার ক্রিস ক্যাভোলি বলেন, ইউরোপে, বিশেষত বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোতে এবছর মে মাসজুড়ে চলবে স্টিডফাস্ট ডিফেন্ডার শীর্ষক এ মহড়া। বাল্টিক রাষ্ট্রেই রুশ হামলার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বলে মনে করা হয়।
তিনি আরও বলেন, রাশিয়ার হামলা হলে কীভাবে এর জবাব দেয়া হবে তা নিয়ে কয়েক দশক ধরে প্রথম যে প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা তৈরি করেছে সেটিরই মহড়া চালিয়ে দেখা হবে।
একই ধরনের এমন মহড়া ‘রিফরজার’ সবশেষ চালানো হয় ১৯৮৮ সালে স্নায়ুযুদ্ধের সময়। তাতে অংশ নিয়ে ছিল ১,২৫,০০০ সেনা এবং ২০১৮ সালে ট্রাইডেন্ট জাঙ্কচার মহড়ায় অংশ নিয়েছিল ৫০ হাজার সেনা।
স্টিডফাস্ট ডিফেন্ডার মহড়ার দ্বিতীয় পর্বে ন্যাটোর পূর্বপ্রান্তে পোল্যান্ডে ন্যাটোর ‘কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্স’ মোতায়েনের দিকে বিশেষ দৃষ্টি দেয়া হবে। এরিমধ্যে সেখানে সেনা পাঠানোর কথা বলেছে জার্মানি।
যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে হিজবুল্লাহর না