মিয়ানমারের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা দুই হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে। আহত হয়েছেন চার হাজার ৫২১ জন। এখনও শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সংস্থার পাশাপাশি একাধিক আন্তর্জাতিক একাধিক সংস্থাও উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে মানুষের আশ্রয়, খাদ্য ও পানি জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ চলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আশ্রয়, খাদ্য ও পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক উদ্ধার কমিটি (আইআরসি) জানিয়েছে, মান্ডালে এবং ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি এলাকাগুলোতে আশ্রয়, খাদ্য, পানি এবং চিকিৎসা সহায়তা খুবই জরুরি। এসব এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (২৮ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে দেশটিতে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কেন্দ্রস্থল ছিলো দেশটির উত্তর-পশ্চিমের শহর সাগাইং থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে। এলাকাটি রাজধানী নেপিদো থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তরে।
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, ব্যাপক এই ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে মিয়ানমারের প্রতিবেশী থাইল্যান্ড, দক্ষিণ-পশ্চিম চীন, ভারত, ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া ও বাংলাদেশেও।

মঙ্গলবার টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা প্রধান মিন অং হ্লেইং বলেছেন, ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা দুই হাজার ৭১৯ জনে পৌঁছেছে। স্মরণকালের ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কার করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ভূমিকম্পে চার হাজার ৫২১ জন আহত হয়েছেন এবং নিখোঁজ আছেন আরও ৪৪১ জন।
এদিকে ভূমিকম্পে মিয়ানমারের প্রতিবেশী থাইল্যান্ডেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, থাইল্যান্ডে এ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ২০ জনের মরদেহ। তারা সবাই ভূমিকম্পে ভবন ধসে মারা গেছেন। এখনও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন।
মিয়ানমারে গেলো ১৫ টন ত্রাণসহ চিকিৎসক দল
ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ নিষিদ্ধের সুপারিশ মার্কিন ফেডারেল কমিশনের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুরনো সম্পর্ক শেষ: কানাডার প্রধানমন্ত্রী