অবশেষে বেরিয়ে এলো ইসরাইলের আসল উদ্দেশ্য! পুরো গাজা উপত্যকা দখল করা এবং অনির্দিষ্টকালের জন্য সেখানে থাকার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ইসরাইলের নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রিসভা। তবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকার এক্ষেত্রে ধীরে চলো নীতি মেনে চলতে আগ্রহী। তাই আগামী পাঁচ থেকে ছয় মাস সময় নিয়ে পরিকল্পনাটির বাস্তবায়ন করতে চায় ইসরাইল।
কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করে গাজায় বড় অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করে ইসরাইল। দেশটির সামরিক প্রধানের এমন ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরই গাজা দখলের নতুন পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে তেল আবিব। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রিসভার বৈঠকে গাজায় কয়েকমাসের স্থল অভিযান ধীরে ধীরে বাড়ানোর পক্ষে সর্বসম্মত ভোট পড়েছে।
ইসরাইলের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন পরিকল্পনায়, গাজা উপত্যকা দখল, এলাকাগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং গাজার বাসিন্দাদের উপত্যকার দক্ষিণে সরিয়ে নেয়া। তবে সম্প্রসারিত অভিযানটি আগের সব অভিযানের মতো আক্রমণাত্মক হবে না। এবার ভূখণ্ড দখলের অভিযান চালানো হবে। একইসাথে গাজায় ইসরাইলের স্থায়ী উপস্থিতিও বহাল থাকবে।
নতুন পরিকল্পনায় হামাসকে পরাজিত করার লক্ষ্যও হাতে নেয়া হয়েছে। এতে করে আবারও লাখো ফিলিস্তিনিকে দক্ষিণ গাজায় সরে যেতে বাধ্য করা হবে। বিবিসি বলছে, এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপে গাজার বাড়তি আরও এলাকা দখলে নেবে ইসরাইল। এরপর ইসরায়েল এবং মিশরের সাথে গাজা সীমান্ত বরাবর ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠা করা বাফার জোন সম্প্রসারণ করা হবে।
এছাড়া প্রাইভেট কম্পানির মাধ্যমে গাজায় মানবিক সহায়তা সরবরাহ ও বিতরণের পরিকল্পনাও অনুমোদন দিয়েছে ইসরাইল। তবে, জাতিসংঘ ও অন্য দাতা সংস্থাগুলো বলছে, এই প্রস্তাব মানবিক সহায়তা কর্মকাণ্ডের মূল নীতির বিরোধী এবং তারা এতে কোনো সহায়তা করবে না।
পুলিৎজার পেলো রয়টার্স, ওয়াশিংটন পোস্ট ও নিউইয়র্ক টাইমস
ইতালিতে বৈধ অভিভাসনে চার বিষয়ে গুরুত্ব, সমঝোতা সই