ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলের একটি শহরে টর্নেডোর আঘাতে কমপক্ষে ছয় জন নিহত ও আহত হয়েছে অন্তত ৪৩৭ জন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন অন্তত এক হাজার মানুষ। আর ফিলিপাইনে আঘাত হেনেছে ভয়াবহ সুপার টাইফুন ফুং-ওয়ং।
রোববার (৯ নভেম্বর) লুজন দ্বীপের উপকূলবর্তী এলাকা কাটানডুয়ানেসে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড়টি।
ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় পারানা অঙ্গরাজ্যের রিও বোনিতো দো ইগুয়াকু শহরে টর্নেডোতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের অনেকের অবস্থাই গুরুতর। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গুয়ারাপুয়াভা শহরও।
দেশটির সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানিয়েছে, শহরটির ঘরবাড়ির অর্ধেকের বেশি ছাদ ধসে পড়েছে, পাশাপাশি বেশ কয়েকটি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টর্নেডোতে ধসে পড়া কাঠামো ও উপড়ে পড়া গাছপালায় অনেক রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে, বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে পড়ায় বহু এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে।
পারানার গভর্নর জানান, নিরাপত্তাবাহিনী সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাজুড়ে জরুরি উদ্ধার তৎপরতা চলছে। আর ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুয়িজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভা সামাজিক মাধ্যম এক্স এ নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে পারানার জনগণকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।
পারানার গভর্নর জানান, নিরাপত্তাবাহিনী সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাজুড়ে জরুরি উদ্ধার তৎপরতা চলছে। এদিকে আবহাওয়াবিদরা দেশটির দক্ষিণের সান্তা কাতারিনা ও রিও গ্রান্দে দো সুল অঙ্গরাজ্যের জন্যও মারাত্মক ঝড়ের সতর্কতা জারি করেছেন।
এদিকে ফিলিপাইনে আঘাত হেনেছে ভয়াবহ সুপার টাইফুন ফুং-ওয়ং। রবিবার লুজন দ্বীপের উপকূলবর্তী এলাকা কাটানডুয়ানেসে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড়টি। এসময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার।
দক্ষিণাঞ্চলের মিন্দানাও দ্বীপে ভারী বৃষ্টিপাতে প্লাবিত হয়েছে বহু ঘরবাড়ি। তবে ঝড়ের আগে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে অনেক পরিবারকে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ফাং-ওয়ং ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত হবে। এর ফলে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তর নিম্নাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার এবং সমস্ত নৌ কার্যক্রম বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
চলন্ত ট্রেনের উইন্ডস্ক্রিনে ঈগলের ধাক্কা, পাইলট আহত