বিয়ের আগে টাক মাথা ঢাকতে ব্যবহার করেছিলেন নকল চুল বা উইগ। সেই সত্য গোপন করেই সেরেছিলেন বিয়ে। কিন্তু বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই সামনে এলো আসল চেহারা। শুধু মিথ্যাচারই নয়, অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি তুলে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডায়।
দিল্লির প্রতাপ বাগের বাসিন্দা এক যুবকের সঙ্গে দেখাশোনা করে বিয়ে হয়েছিল অভিযোগকারী নারীর। বিয়ের আগে দেখা করার সময় ওই যুবক পরচুলা পরে আসতেন। নারীর অভিযোগ, যুবকটি তাকে বিশ্বাস করিয়েছিলেন যে, তার সামান্য চুল পড়ার সমস্যা রয়েছে মাত্র। কিন্তু বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে যেতেই সত্যটি সামনে আসে। পরচুলা খুলতেই দেখা যায় স্বামী আদতে সম্পূর্ণ টেকো।
প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে প্রতিবাদ করতেই শুরু হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। নির্যাতনের শিকার নারীর দাবি করেছেন, স্বামী তার মোবাইলে স্ত্রীর কিছু ব্যক্তিগত ও আপত্তিকর ছবি তুলে রাখেন। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করতে থাকেন।
শুধু তাই নয়, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিলে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার গয়না কেড়ে নেন এবং তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। টাকা না দিলে পরিণাম খারাপ হবে বলে ক্রমাগত হুমকি দেয়া হয় তাকে।
নির্যাতিতা নারী বিশরাখ থানায় স্বামীসহ পরিবারের পাঁচ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধক আইন, জালিয়াতি, শ্লীলতাহানি, ভয় দেখানো এবং চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনোজ কুমার জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তের মোবাইল ফোন ও আর্থিক লেনদেনের সব তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রমাণ হাতে পেলেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত, তালিকায় বাংলাদেশ