পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হতে যাচ্ছে দুই সপ্তাহব্যাপী এক গুরুত্বপূর্ণ শান্তি আলোচনা। দীর্ঘ সময় পর সরাসরি সংলাপে বসতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে কূটনীতির পথ বেছে নিয়ে সংঘাত অবসানের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
সংস্থাটি মনে করছে, এই আলোচনা দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি বড় সুযোগ হতে পারে।
দুই সপ্তাহের কার্যকর যুদ্ধবিরতির মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। অন্যদিকে ইরানের প্রতিনিধি দলে দেশটির স্পিকার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা উপস্থিত থাকবেন।
আলোচনায় ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া ‘দশ-দফা প্রস্তাব’ বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে। আয়োজক দেশ হিসেবে এই আলোচনার মধ্যস্থতা করছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনীর।
জাতিসংঘের নিয়মিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই আলোচনা প্রসঙ্গে কথা বলেন মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মহাসচিবের পরামর্শ হলো, এখন কূটনীতির সময়, ধ্বংসের নয়। সংঘাতের অবসান ঘটাতে এই আলোচনার সকল অংশগ্রহণকারী এই সুযোগটি গ্রহণ করবে বলেই জাতিসংঘ আশা প্রকাশ করছে।
মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকার বিষয়ে মুখপাত্র আরও জানান, আন্তর্জাতিক আইন মেনে অন্তত একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে এবং টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশগুলোর প্রচেষ্টাকে জাতিসংঘ আন্তরিকভাবে স্বাগত জানায়।
মূলত মধ্যপ্রাচ্য ও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনে এই কূটনৈতিক উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বিশ্ব সংস্থাটি।
ভ্যান্সের সফরের আগে পাকিস্তানে মার্কিন গোয়েন্দা দল