অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে 'হস্তক্ষেপের' অভিযোগে নাইজার থেকে ফরাসি রাষ্ট্রদূত ও সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে দেশটির জনগণ।
শনিবার রাজধানী নিয়ামেতে কয়েক হাজার মানুষ এ বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেয়। গেলো জুলাই মাসে নাইজারের সেনাবাহিনী দেশটির ক্ষমতা দখলের পর থেকে তারাও একই দাবি জানিয়ে আসছে।
বেশ কয়েকটি নাগরিক সংগঠনের ডাকে নিয়ামের উপকণ্ঠে ফরাসি সামরিক ঘাঁটির কাছে শনিবার সকাল থেকে জড়ো হতে থাকে বিক্ষোভকারীরা। এসময় তারা 'ফরাসি সেনাবাহিনী আমাদের দেশ ছেড়ে চলে যাও' স্লোগান দিতে থাকে। বিকাল থেকে বাড়তে থাকে লোক সমাগম।
আল জাজিরার সাংবাদিক আহমেদ ইদ্রিস বলেন, ঔপনিবেশিক ফরাসি শক্তির উপস্থিতি নিয়ে দেশটির জনগণ হতাশা প্রকাশ করেছে। নিজেদের বিষয়ে তারা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে চায়।
এর আগে ২৬ জুলাই সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে নাইজারের ক্ষমতায় বসে দেশটির সেনাবাহিনী।
সেনা সরকারের অভিযোগ, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ অভ্যুত্থান সম্পর্কে বিভাজনমূলক বক্তব্য দিয়েছেন এবং ফ্রান্সের প্রাক্তন উপনিবেশ অর্থাৎ নাইজারের ওপর নব্য ঔপনিবেশিক নীতি চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছেন। একইসাথে ম্যাক্রোঁ নাইজারের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজুমকে সমর্থন করেছেন এবং নাইজারের নতুন শাসকদের স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করেছেন।
এদিকে গেলো সপ্তাহে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত সিলভাইন ইত্তেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নাইজার ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় সামরিক সরকার। তবে তিনি এখনও নাইজারেরই অবস্থান করছেন।
শুক্রবার দেশটির সামরিক সরকার ফ্রান্সের কড়া সমালোচনা করে বলেছে, প্যারিস ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্টকে সমর্থন দিচ্ছে যা 'স্পষ্ট হস্তক্ষেপ'।
ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজুম একজন ফরাসি মিত্র হিসেবে পরিচিত। ২৬ জুলাই সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করে।
সবশেষ ৩ আগস্ট দেশটির সামরিক সরকার ফ্রান্সের সাথে নাইজারের সামরিক চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেয়। নাইজারে প্রায় ১,৫০০ ফরাসি সেনা রয়েছে।
কৌশলগত পারমাণবিক হামলার মহড়া চালালো উত্তর কোরিয়া
বুরকিনা ফাসোয় সন্ত্রাসী হামলায় পাঁচজন নিহত