যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর রবার্ট মেনেনডেজকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিচার বিভাগ। এক বছর ধরে বিচার বিভাগীয় তদন্তের পর এ অভিযোগ সামনে এলো।
প্রসিকিউটররা বলছেন, মেনেনডেজ ও তার স্ত্রী নাদিন নিউ জার্সির ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সোনার বার ও নগদ অর্থ নিয়েছেন। এছাড়াও সিনেটর এবং তার স্ত্রী গোপনে মিশরীয় সরকারকে সহায়তা করার জন্য অর্থ গ্রহণ করেছিলেন।
এ দম্পতির বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার ষড়যন্ত্র, সৎ পরিষেবা জালিয়াতির ষড়যন্ত্র এবং সরকারি অধিকারের রঙে চাঁদাবাজির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।
প্রসিকিউটদের অভিযোগ, মেনেনডেজ ও তার স্ত্রী নিউ জার্সির তিন ব্যক্তির কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ, সোনা, একটি বাড়ির বন্ধক ও একটি বিলাসবহুল গাড়ি।
এ দম্পতিকে ঘুষ দেয়া ব্যক্তিরা হলেন- ওয়ায়েল হানা, হোসে উরিবে ও ফ্রেড ডাইবস।
২০২২ সালের গ্রীষ্মে ফেডারেল এজেন্টরা মেনেনডেজের বাড়িতে অনুসন্ধান চালিয়ে ঘুষ গ্রহণের প্রমাণ পেয়েছেন।
জানা গেছে, ঘুষের অর্থ ও সামগ্রী শৌচাগার ও একটি নিরাপদ স্থানে লুকানো ছিলো।

নগদ প্রায় চার লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলারের সাথে পাওয়া গেছে এক লাখ ডলার মূল্যের সোনার বার।
এছাড়াও তাদের গ্যারেজে রাখা হোসে উরিবের দেয়া একটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
মার্কিন অ্যাটর্নি ড্যামিয়ান উইলিয়ামস বলেছেন, সিনেটর মেনেনডেজ কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য এই কাজগুলো করছিলেন। ওই ব্যক্তিরা তার স্ত্রীর মাধ্যমে মেনেনডেজকে ঘুষ দিচ্ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানিয়েছে, ঘুষ নেয়ার দায়ে তাদের নিউজার্সির বাড়িসহ অধিকাংশ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে।
তবে এবারই প্রথম নয়, ২০১৫ সালেও তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠছিল।
ক্রিমিয়াতে রুশ নৌঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, দায় নিলো ইউক্রেন