মঙ্গলে যাওয়ার নভোযান স্টারশিপ উৎক্ষেপণের প্রথম দুই প্রচেষ্টার সমাপ্তি ঘটেছিল বিস্ফোরণের মাধ্যমে। অবশেষে তৃতীয় চেষ্টায় সফল উৎক্ষেপণ সম্ভব হলো মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই রকেটের।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ১২০ মিটার (৩৯৫ ফুট) দীর্ঘ স্টারশিপ রকেট যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।
এর আগে, জ্বালানির চাপ সংক্রান্ত জটিলতায় সোমবার এর উৎক্ষেপণ বাতিল করা হয়েছিল।
ইলন মাস্কের মঙ্গলে যাওয়ার অভিযানও সাফল্যের মুখ দেখল এর মাধ্যমে। এই যানটিকে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার মঙ্গল অভিযানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ঐতিহাসিক এই সাফল্যের জন্য ‘স্পেসএক্স’ টিমকে ধন্যবাদ ইলন মাস্ক জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেন, কাঙ্ক্ষিত গতি অর্জন করেছে স্টারশিপ। ধন্যবাদ ‘স্পেসএক্স’ টিম।
নির্ধারিত সময়ের পর আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসবে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ও বড় স্টারশিপ রকেটটি।
স্পেসএক্স জানায়, তৃতীয় উৎক্ষেপণ প্রচেষ্টায় রকেটের অবতরণের জায়গা ঠিক করা হয়েছে ভারত মহাসাগরে। এর আগের দুই প্রচেষ্টায় অবতরণের জায়গা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি একটি স্থান। আকাশে ইঞ্জিন পুড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ‘জননিরাপত্তার মাত্রা বাড়ানো’ এ পরিবর্তনের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে স্পেসএক্স।
প্রথমবার রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল গত বছরের এপ্রিলে। তখন রকেটটির ওপরের স্তর স্টারশিপ এবং সুপার হেভি বুস্টার- দুটোই মাঝপথে বিস্ফোরিত হয়েছিল। এরপর গত নভেম্বরে দ্বিতীয় অরবিটাল ফ্লাইট টেস্ট উৎক্ষেপণ করা হয়। সেটিও শেষ পর্যন্ত ধ্বংস হয়েছিল।
জাপানে উৎক্ষেপণের পরই বিস্ফোরিত স্পেস ওয়ানের রকেট