সাইফার (সরকারি গোপন তথ্য ফাঁস) মামলায় জামিন পেলেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। শুক্রবার দেশটির সুপ্রিমকোর্ট এ মামলায় তার ও পিটিআইয়ের সহ-সভাপতি মেহমুদ কুরেসির জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে।
কিন্তু জামিন পেলেও ইমরান মুক্তি পাবেন কিনা তা এখনো পরিষ্কার নয়। কেননা তার বিরুদ্ধে বহু মামলাই ঝুলে রয়েছে। খবর জিও নিউজ’র।
এর আগে, তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় ইমরান খানের করা আপিল খারিজ করে দিয়েছে পাকিস্তানের হাইকোর্ট। এর ফলে আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারিতে হতে যাওয়া সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না তিনি।
নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীরা শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শেষ হওয়ার আগের দিন ইমরান খানের আপিল খারিজ করে দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার আপিল খারিজের বিষয়টি নিশ্চিত করে ইমরানের আইনজীবী নাঈম হায়দার পাঞ্জুথা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (পূর্বে টুইটার) লিখেছেন, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান আগের দোষী সাব্যস্ত হওয়া রায় স্থগিত করার আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্যই থাকবেন তিনি।
এর আগে, বুধবার ইমরান খানের আরেক আইনজীবী আলী জাফর জানিয়েছিলেন, কারাগারে বসেই লাহোর, মিয়ানওয়ালি ও ইসলামাবাদ আসনে লড়াই করবেন পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফের (পিটিআই) সাবেক চেয়ারম্যান।
চলতি বছরের ৫ আগস্ট আলোচিত তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় ইমরান খানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয় ইসলামাবাদের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত। একই সঙ্গে তার রাজনীতির ওপর পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞাও দেয়া হয়।
যদিও ইসলামাবাদ দায়রা আদালতের দেওয়া রায়ে স্থগিতাদেশ দিয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট, দেওয়া হয়েছিল জামিনও। কিন্তু সাইফার মামলায় তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কিন্তু এই মামলায়ও তাকে এবার জামিন দিলো পাকিস্তানের সুপ্রিমকোর্ট।
প্রকাশ্যে ইমরান খানের বিচার করার নির্দেশ আদালতের