বাংলাদেশে তিন মাসের জন্য অস্থায়ী মিশন খুলেছে রোমানিয়া। লক্ষ্য, যাদের ওয়ার্ক পারমিট রয়েছে তাদের সরাসরি সাক্ষাৎকার নেয়ার মাধ্যমে ভিসা প্রদান করা।
এর মাধ্যমে পাঁচ হাজার বাংলাদেশি ভিসা পাবেন। তবে, রোমানিয়া যেতে প্রতারণা বন্ধে এখনই স্থায়ী মিশন ও দেশটির সাথে চুক্তি সই করা প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার।
করোনার পর ইউরোপের দেশগুলো ভিসা প্রক্রিয়া আবারও শুরু করেছে। এদের মধ্যে পোল্যাণ্ড, রোমানিয়াসহ বেশ কিছু দেশ রয়েছে যাদের ভিসা নিতে ভারত যেতে হয়।
ভারতের ভিসা পাওয়া এবং তারপর ভিসার জন্য সাক্ষাতের সময় পাওয়া এই দুই জটিলতায় আটকে গেছে বহু বাংলাদেশির ইউরোপের ভিসা।
তাদের সেই ভিসা প্রাপ্তি সহজ করতেই ঢাকায় তিন মাসের জন্য অস্থায়ী ভিসা অফিস খুলেছে রোমানিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
যদিও কখন কার ইন্টারভিউ হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জটিলতা। কয়েকশ’ মানুষ এক সঙ্গে এসেছে ভিসার জন্য। যাদের অনেকেই রাত থেকে অপেক্ষায় আছেন ভিসার জন্য।
রোমানিয়ার প্রতিনিধি মারিয়ান নিকোলে স্টান বলছেন, বেতন প্রসঙ্গে কর্মীদের ভূল ধারণা দেয়া হয়। তাছাড়া কর্মীর দক্ষতার বিষয়টি জানতেই তারা এই সরাসরি ইন্টারভিউ শুরু করেছেন।
গড়ে সাত লাখ টাকা খরচ করে এসব প্রবাসগামীরা মাসে সর্বনিন্ম বেতন পাবেন ৪৫ হাজার টাকা। তবে, নতুন করে কোন কর্মীর জন্য ভিসা আবেদন নিচ্ছে না এই কনসুলার অফিস।
রোমানিয়া যেতে আগ্রহীদের ভিসার ফাইল জমা দেয়ার জন্য কাকরাইলে অবস্থিত বিএমইটি ভবনের ছয় তলায় তাদের অফিসে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের রোমানিয়ার কোনো মিশন নেই। দিল্লির মিশন থেকে রোমানিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।
একাত্তর/এআর
