দ্রুত কোটিপতি বাড়ার তালিকায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান এখন সবার উপরে।
গেল ১২ বছরে শুধু ব্যাংক একাউন্টে ৫০ লাখ টাকার বেশি আছে এমন মানুষের সংখ্যা এক লাখ
১০ হাজার।
লাখপতি-কোটিপতির সংখ্যা বাড়লেও আয়কর আদায়ে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে সবার নিচে। তাই করফাঁকি দেয়া ধনী ও উচ্চবিত্তদের কাছ থেকে রাজস্ব আদায়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে আরো বেশি মনোযোগ দেয়ার তাগাদা দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৭ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকার বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হতে পারে পাঁচ লাখ কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি হবে আড়াই লাখ কোটি টাকা।
স্বাধীনতার সময় দেশে লাখোপতি ব্যাংক একাউন্টধারী ছিলো মাত্র পাঁচ জন। যা ১৯৮০ সালে বেড়ে হয় ৯৮ জনে। ১৯৯০ সালে লাখোপতি একাউন্ট বেড়ে হয় ৯৪৩টি।
আর, ২০০১ সালে এই সংখ্যা পাঁচ গুণ বেড়ে হয় পাঁচ হাজার ১০০। ২০০৮ সালে লাখোপতি একাউন্ট ছিলো ১৯ হাজার ১৬৩টি।
সেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে ডিসেম্বর শেষে লাখোপতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩ হাজার ৮৯০টিতে।
২০২২ সালের ডিসেম্বরে বেড়ে কোটিপতি সংখ্যা দাঁড়ায় এক লাখ ৪হাজারের বেশি। দ্রুতগতিতে ধনীদের বৃদ্ধির হার বিশ্বে সবেচেয়ে বেশি বাংলাদেশে। আর কর আদায়ের অনুপাতে সবার নিচে।
বর্তমানে ৮৮ লাখ টিআইএন থাকলেও আয়কর রিটার্ন জমা দেন ৩০ লাখ মানুষ। তাই, রাজস্ব আদায় বাড়াতে আগামী বাজেটে টিআইএন নম্বরধারীদের করযোগ্য আয় না থাকলেও দুই হাজার টাকা কর বাধ্যতামূলক আরোপ করতে যাচ্ছে এনবিআর। বাড়তে পারে করমুক্ত আয়সীমা।
ধনীদের কর ফাঁকি রোধ করার পাশাপাশি চিকিৎসক, আইনজীবিসহ বিভিন্ন ধরনের সেবার ফি করের আওতায় আনার তাগিদও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
একাত্তর/আরবিএস
